প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে ৮ বছর পর ইতালির কালো তালিকা থেকে বেরিয়ে এলো বাংলাদেশ

তরিকুল ইসলাম: [২] কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকায় আপাতত ১২ নভেম্বরের আগে দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না বাংলাদেশিরা।

[৩] ২০১৩ সালে ইতালি সরকারের কালো তালিকাভুক্ত হবার আগে ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৮ হাজার বাংলাদেশি (সিজনাল জব) কৃষি, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ভিসায় নির্ধারিত সময়ের জন্য ইতালিতে গিয়ে ছিলেন তাদের মধ্যে ফিরে এসেছিলেন ৫০ থেকে ৬০ জন।

[৪] চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কোঁতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় কালো তালিকাভূক্তির বিষয়টি তুলে নেওয়ার অনুরোধ করার পর সোমবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কালো তালিকা থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয়।

[৫] ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, ৯ মাসের সিজনাল জব ভিসা ছাড়াও দুই বছরের কাজের কন্ট্রাক্ট ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিকরা ইতালিতে যেতে পরবেন।

[৬] ইতালিতে অভিবাসন পরামর্শক মাঈনুল ইসলাম নাসিম বলছেন, সিজনাল কাজের ক্ষেত্রে যাওয়া কর্মীরা নির্ধারিত সময়ে দেশে না ফিরলে আবার কালো তালিকাভুক্ত হবে বাংলাদেশ।

[৭] কোভিড-১৯ এর কারণে বাংলাদেশ সহ ঝুঁকিপূর্ণ ১৬টি দেশ থেকে ইতালিতে প্রবেশে চলমান নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

[৭] ইতালিতে বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার জন্য প্রবাসীদের দায়ী করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে দেশটির সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু, কোন ফল আসেনি।

[৮] তিনি বলেন, আমাদের প্রবাসীরাই সমস্যা। এর আগে অনেকে ইতালি গিয়ে কোয়ারেন্টাইন ও স্থানীয় আইন না মানায় দুটি ফ্লাইটে ইতালি যাওয়া অনেক বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলো দেশটি।

[৯] রোমে অবস্থানকারী ৩০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশিকে বাধ্যতামূলক কোভিড-১৯ পরীক্ষা করতে বলেছিল। প্রবাসীরা সেটি না করে শহর ছেড়ে পালিয়েছেন। সম্পাদনা: ইসমাঈল ইমু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত