প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বগুড়ার শেরপুরের সাহেববাড়ি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধেঁ ভাঙন, আতঙ্কে ২০ গ্রামের মানুষ!

আবু জাহের: [২] উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর অতিবর্ষণে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। এছাড়া নদী ভাঙনও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ফলে উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রামসহ অন্তত বিশটি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনরাত যাপন করছেন এসব গ্রামসহ নদীপাড়ের মানুষ।

[৩] এদিকে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া বাঁধটি গত বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধ ধ্বসে যাওয়ার উপক্রম হলে কামরুল ইসলাম সহ স্থানীয় লোকজন বস্তা ভরাট মাটি ফেলে সাময়িক বাঁধ ধ্বস নিয়ন্ত্রণে আনে।

[৪] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের সাহেববাড়ি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একাংশ (সাড়ে চারশ মিটার) বাঙালি নদী গর্ভে চলে গেছে। এছাড়া যে হারে পানি বাড়ছে, তাতে যে কোন সময় ক্ষতিগ্রস্থ এই বাঁধটি ধ্বসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

[৫] আর এই বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে উপজেলার সুঘাট, সীমাবাড়ী, বিশালপুর, ভবানীপুরের একাংশসহ তাড়াশ, রায়গঞ্জ উপজেলাসহ সিরাজগঞ্জের বিশাল এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে যাবে। নষ্ট হয়ে যাবে হাজার হাজার বিঘা জমির রকমারি ফসল। সুঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ জানান, গেল কয়েকদিন ধরেই বাঙালি ও করতোয়া নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে।

[৬] এতে করে সাহেববাড়ি ও মইশনটি বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে মেরামত ও সংস্কার করা প্রয়োজন। নইলে যে কোন সময় এই বাঁধটি ধ্বসে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হবে। বাসা-বাড়ি তলিয়ে যাবে। অসংখ্য মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়বে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন এই চেয়ারম্যান।

[৭] এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ বাঁধের একাংশ বাঙালি নদীগর্ভে ধ্বসে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এই বাঁধটি এলজিইডি নির্মাণ করেছিল। তাদের দপ্তরের নয়। এরপরও ক্ষতিগ্রস্থ এই বাঁধটি দু-একদিনের মধ্যেই মেরামতের কাজ শুরু হবে। তাই শঙ্কার কোন কারণ নেই বলেও দাবি করেন তিনি। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত