প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সাত দফা কর্মসূচি দিলো শিক্ষার্থীরা

ইসমাঈল ইমু : [২] ধর্ষণ ও যৌন হয়রানী বিরোধী আন্দোলনকে ফলপ্রসু করতে এবং ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নির্শ্চিত করণে সাত দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। রোববার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

[৩] লিখিত বক্তব্যে তানহা তানজিন সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- ধর্ষণ আইন পুন বিবেচনার মাধ্যমে ধর্ষকের এবং সাদা ভেদে সকল প্রকার যৌন হয়রালির সর্বোচ্চ শাস্থি যাবজ্জীবন কারাদন্ড নিশ্চিত করতে হবে এবং ভিকটিমের প্রাণ বিপন্ন করা রুখতে পরিবর্তনযোগ্য লঘু শাস্তির উল্লেখ থাকতে হবে।

[৪] বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৭৫ ধারা অনুসারে উল্লেখিত হতেন ও সমভির সংজ্ঞা সংশোধন করতে হবে যাতে ধর্ষণের শিকার হওয়া ছেলে শিশু, পুরুষ, যৌনকর্মী, লিঙ্গ বৈচিত্রময় মানুষ ও হিজরারাও যেন আইলের শরণাপন্ন হতে পারে। পাহাড় – সমতলে আদিবাসী নারীদের উপর সামরিক – বেসামরিক সকল প্রকার যৌন হয়রানি, ধর্ষণ ও সামাজিক নিপীড়নের অভিয়োগে নিরপেক্ষ বিচার করতে হবে।

[৫] ধর্ষিতাকে পুলিশ, আইনজীবী ও বিচারক চরিত্র, পেশা, পোশাক ইত্যাদি নিয়ে হেলম্ব না করে হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্যাতিতার পরিবারের উপর কোনাে ভাবশালী ব্যক্তির চাপ প্রবোধ বা ধর্ষককে আশ্রম প্রদানকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করতে হবে।

[৬] সাইবার মাধ্যমকে আসন্ন করে নারীর প্রতি সন্ত্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে, যারা স্থানীয় প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে অবকাঠামোর কাছে জবাবদিহি করবে । দেশের সকল প্রান্তে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে। তাদের এসব দাবি না মানা হলে পরবর্তীতে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাদিয়া সুচিতা, ইশরাত জাহিন আহমেদ, চৌধুরী নদি, তাশফীয়া তারান্নাম রিদিতা প্রমূখ।

সর্বাধিক পঠিত