প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] খুলনায় ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান আসামিসহ ৩জন ৫ দিনের রিমান্ডে

শরীফা খাতুন: [২] খুলনার মশিয়ালীতে আলোচিত ট্রিপল হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মিল্টন শেখ, তার ভাই জাকারিয়া ও এজাহারভূক্ত আরেক আসামি রেজওয়ান শেখ রাজুকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

[৩] শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (নং-৩) বিচারক শাহীদুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

[৪] মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হলে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি ইন্সপেক্টর এনামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

[৫] এর আগে শুক্রবার সকালে তাদেরকে ঢাকার মিরপুর এলাকার একটি বহুতল ভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ তিন মাস তারা আত্মগোপনে ছিলেন।

[৬] জানা যায়, ১৬ জুলাই রাতে নগরীর মশিয়ারীতে প্রভাবশালী মিল্টন ও জাকারিয়াদের গুলিতে গ্রামের নজরুল ইসলাম, গোলাম রসুল ও সাইফুল ইসলাম নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয় আরও ১০ জন। পরে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী জাকারিয়ার আত্মীয় জিহাদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা ও তাদের বাড়িঘর-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেয়।

[৭] কেএমপি’র ডেপুটি কমিশনার (ডিবি) বিএম নুরুজ্জামান জানান, পুলিশ সার্বক্ষনিক এসব আসামিকে পর্যবেক্ষণে রেখেছিলো। তবে বার বার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। সর্বশেষ সোর্সের মাধ্যেমে ঢাকার ওই বাড়িতে দু’জনের অবস্থানের কথা জানা যায়। পুলিশ তাদের অবস্থান ঘিরে ফেললে শেষ মুহূর্তে আরো এক আসামি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসে। ফলে পুলিশ একই সঙ্গে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আসামিদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অস্ত্র উদ্ধার, হত্যাকাণ্ডের কারণ ও বাকি আসামিদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মোট ২২ আসামীর মধ্যে পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে ছয় জন হত্যায় জড়িত স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

[৮] প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই রাতে খুলনা মহানগরীর ইস্টার্ণগেটের মশিয়ালী এলাকায় শেখ জাকারিয়া বাহিনীর গুলিতে নিহত হন আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের মশিয়ালী গ্রামের মৃত বারিক শেখের ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম (৬০) ও একই গ্রামের মোঃ ইউনুচ আলীর ছেলে গোলাম রসুল (৩০)। এসময়ে গুলিবিদ্ধ হন মোঃ সাইফুল ইসলাম, আফসার শেখ, শামীম, রবি, খলিলুর রহমান ও মশিয়ার রহমানসহ আরও কয়েকজন। গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম পরদিন সকালে মারা যান।

[৯] অপরদিকে, বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে জাকারিয়ার চাচাতো ভাই জিহাদ শেখ নিহত হন। এছাড়া হত্যাকারী সন্দেহে কয়েকজনের বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করে। পরে নিহত মোঃ সাইফুল ইসলামের পিতা মোঃ শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে খানজাহান আলী থানায় ২২জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫-১৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত