প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] য‌শো‌রে তরুণী‌কে বা‌সের ম‌ধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষ‌ণ নি‌য়ে ধুম্রজাল !

য‌শোর প্র‌তি‌নি‌ধি: [২] যশোরে বাসের মধ্যে এক তরুণীকে (২৫) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। ওই তরুণী এখন জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

[৩] তবে এটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ নাকি স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনা, তা নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। আসল ঘটনা উদ্ঘাটনে প্রধান অভিযুক্তসহ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জব্দ করা হয়েছে বাসটিও।

[৪] স্বামী পরিত্যক্তা ওই তরুণী রাজশাহীর একটি ক্লিনিকে আয়ার চাকরি করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে তিনি বাবার বাড়ি মাগুরায় আসার জন্য রাজশাহী থেকে এমকে পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। মধ্যরাতে রাতে বাসটি যশোর পৌঁছায়।

[৫] ওই তরুণী গণমাধ্যমকে জানান, বাড়িতে ফেরার উপায় না থাকায় তিনি বাসেই অবস্থান করছিলেন। বাসটি যশোর শহরের বকচর এলাকায় গিয়ে থামে। সেখানে তাকে হেলপার মনিরুল পানীয় দেয়। তা পান করে তিনি গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন। এরপর তাকে বাসের মধ্যে পালাক্রমে অন্তত তিনজন পরিবহন শ্রমিক ধর্ষণ করে। চেতনা ফিরে পেয়ে তিনি ‘গণধর্ষণের শিকার’ হয়েছেন বলে বুঝতে পারেন।

[৬] পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্ণিত ঘটনায় জড়িতদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই তরুণী।

[৭] তবে পুলিশ অন্য কথা বলছে। এটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা নয় বরং প্রেমিকের সঙ্গে স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার ঘটনা বলে পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

[৮] কোতয়ালী থানার ওসি মনিরুজ্জামানের ভাষ্য, গত রাত আড়াইটার দিকে যশোর শহরের বকচর কোল্ড স্টোরেজ এলাকা থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তার সঙ্গে বাসটির হেলপার মনিরের সর্ম্পক ছিল। মেয়েটি মনিরের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাজশাহী থেকে যশোর আসে। চলন্ত বাসেই তারা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। বাসে থাকা অন্য শ্রমিকরা বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ পরে তরুণীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। সেই সময় হেলপার মনির ও ঘটনাস্থলে থাকা আরো পাঁচ বাস শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়।

[৯] ঘটনার ব্যাপারে থানায় মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান ওসি। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বাধিক পঠিত