প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশের অর্থনীতি নিম্নগামী প্রবণতা চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক, ২০২১ এ প্রবৃদ্ধি হবে ১.৬ হারে, সরকারের হিসাব ৮.২শতাংশ

বিশ্বজিৎ দত্ত : [৩] বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক উন্নয়ন রিপোর্টে বলা হয় কোভিড-১৯এর কারণে দক্ষিণ এশিয়া সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এই অঞ্চলে বেকার ও চরম দারিদ্র বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। প্রাকৃতিক বিপর্যয়,পঙ্গপাল ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্য।

[৪] বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পর্কে বলা হয়, বিনিয়োগ, রেমিটেন্স ও রপ্তানি কমেছে। জিডিপির মূল চালিকাশক্তি আভন্তরীণ বাজার এটিও সংকোচিত হয়েছে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাওয়ায়। আগামীতে মূল্যস্ফীতি ও জনসংখ্যার চাপ অর্থনীতিকে আরো খারাপের দিকে নিয়ে যাবে। তাদের হিসাবে কোভিডে মানুষের আয় কমেছে ৬ শতাংশ, ক্রয় ক্ষমতা কমেছে ১০ শতাংশ। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেবা, পরিবহণ ও খুচরা ব্যবসার। এইসব সেক্টরের অসংগঠিত শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি বেকার হয়েছে।অকাল বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ খাদ্য শস্যের উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে অনুমান করা হয়েছে।

[৫] এই সমস্যা থেকে উত্তরণে অংসগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে ব্যায় বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

[৬] দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি গরীব অর্থনীতির দেশগুলো হলো যথাক্রমে, পাকিস্তান, নেপাল, ভ’টান ও বাংলাদেশ। এই দেশগুলোর আগামীতে বৃদ্ধি হবে পাকিস্তান .৫ নেপাল .৬ ভুটান, ১ . ৮ ও বাংলাদেশ ১.৬ হারে।

[৭] দক্ষিণ এশিয়ায়, সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতি প্রবৃদ্ধি হবে মালদ্বীপে ৯.৫, এরপরে ভারতের ৫.৪ শ্রীলংকার ৩.৩ ও আফগানিস্থানের ২ দশমিক ৫ শতাংশ হরে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত