প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আমদানিকৃত পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে আসলে দাম আরও কমবে : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

সোহেল রহমান : [২] দেশে পেঁয়াজের কোন ঘাটতি নেই। পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনকারী কৃষকরা বাজারে পেঁয়াজের বিক্রি বাড়িয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। ফলে পেঁয়াজের আমদানি ও সরবরাহ বেড়েছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে আসলে দাম আরও কমে আসবে। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন দাবি করা হয়েছে।

[৩] মন্ত্রণালয় বলেছে, পেঁয়াজ নিয়ে আতংকিত হবার কারণ নেই। পেঁয়াজের অবৈধ মজুত বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য বৃদ্ধির চেষ্টা করা হলে সরকার প্রচলিত আইনে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

[৪] মন্ত্রণালয় জানায়, ক্রেতাদের সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ সরবরাহের লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ’ (টিসিবি) দেশব্যাপী ট্রাক সেলের পাশাপাশি ই-কমার্সের মাধ্যমেও পেঁয়াজ বিক্রয় করছে। এতে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে প্রতি কেজি ৩০ টাকা মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রয়ের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে।

[৫] সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাহিদা মোতাবেক বাজারে পেঁয়াজের মজুত, সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে গত বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ দেশব্যাপী স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে বাজার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সরকার পেঁয়াজ আমদানির উপর শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। আমদানিকারকদের চাহিদা মোতাবেক সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। অভ্যন্তরীন বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ, পরিবহনসহ সকল ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পরেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমান পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাবে।

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত