প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দুই বছরের মধ্যে দেশে আধুনিক পুঁজিবাজারের ছায়া দেখতে পাবেন: বিএসইসির চেয়ারম্যান

মো. আখতারুজ্জামান: [২] পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রন সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, আমাদের কমিশনে দায়িত্ব নেওয়ার বয়স মাত্র ৪ মাস। আমাদেরকে আপনারা একটু সময় দেন। আমরা আগামি ১ বছরের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেওয়ার চেষ্টা করব। আর ২ বছরের মধ্যে মডার্ন ক্যাপিটাল মার্কেটের ছায়া দেখতে পাবেন। এছাড়া ৩ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ বাজারের একটি রুপ পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

[৩] মঙ্গলবার বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উপলক্ষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএফও আব্দুল মতিন পাটোয়ারি।

[৪] শিবলী রুবাইয়াত বলেন, বিনিয়োগকারীরা আমাদের শেয়ারবাজারের প্রাণ। তারা না থাকলে পুঁজি আসত না। তাহলে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও আসত না। আমাদের কথার উপর বিশ্বাস করে তারা টাকা পয়সা এনে বিনিয়োগ করেন। তাদের বিনিয়োগকে দুষ্চিন্তামুক্ত রাখতে ও সঠিক ব্যবহারের জন্য আমাদেরকে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।

[৫] তিনি বলেন, লেনদেন ১ হাজার কোটির আশেপাশে ঘোরপাক খাচ্ছে। তবে এটাকে এবছরের মধ্যে দেড় হাজারে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য ডিএসইর আইটি বিভাগের সমস্যা সমাধান করতে হবে। তাদের আইটির কারনে মাঝেমধ্যেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। মাঝেমধ্যেই ওয়েবসাইট দেখা যায় না। এফডিআরের লাখ লাখ কোটি টাকা পুঁজিবাজারে চলে আসবে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। কারন মানুষ যখন দেখবে এফডিআর এর ৫-৬ শতাংশের থেকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১০ শতাংশ রিটার্ন পাওয়া যাচ্ছে, তখন তারা এদিকে ঝুঁকবে। যাতে করে সামনে বাজারে লেনদেন অনেক বেড়ে যাবে। এজন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডে সুশাষন আনতে হবে। এ খাতটি আগামিতে ভালোভাবে চলার জন্য কাজ শুরু করছি।

[৬] কোম্পানি আইন পরিবর্তন করে বাই ব্যাক আইন করবেন বলে জানিয়েছেন শিবলী রুবাইয়াত। তবে এরইমধ্যে ৫টি কোম্পানি ও ২টি ডিবেঞ্চার ডিলিষ্টিং করার কথা স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়ে দিয়েছেন বলে জানান তিনি। এ ডিবেঞ্চার ২টি ২০-২৫ বছরের পুরোনো। এতে বিনিয়োগকারীদের টাকা আটকে ছিল। আমরা এসে সেগুলো খুঁজে ৫৭ কোটি টাকা আদায়ের চেষ্টা করে দিয়েছি। তিনি বলেন, আমাদেরকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ীদের দিক বিবেচনা করতে হবে। যারা ব্যবসা করতে আসেন, তাদের যদি আইপিও দেওয়া বন্ধ করে দেই, তাহলে তারা কোথায় যাবে। তাদেরও টাকার দরকার। এই বাজারে বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ি উভয়কেই দেখতে হয়। তা না হলে এই বাজার থাকত না।

[৭] ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। এতে করে দুষ্টুলোকেরা সড়ে যাচ্ছেন। এ কমিশনের প্রতিটি পদক্ষেপ বাজারের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তারা মাত্র ৪ মাসেই বাজারের জন্য অনেক ভূমিকা রেখেছেন। তবে এখনো কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। এগুলো সমাধানে তাদেরকে কিছুটা সময় দিতে হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত