প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডা. নুজহাত চৌধুরী: সকল জনপ্রতিনিধিকে তার এলাকার শান্তি রক্ষার জন্য দায়বদ্ধ রাখুন

ডা. নুজহাত চৌধুরী: এরা কারা? কী এতো দম্ভ এদের? এরা মানুষ না? মায়ের পেটে জন্ম গ্রহণ করেনি? এদের মরতে হবে না? নিজের মৃত্যুর কথা মনে পড়ে না কখনো? এতো কি ক্ষমতাধর ভাবছে নিজেদের যে আরেকজন মানুষকে এতো নির্যাতন করতে পারে? মানসিক বিকলঙ্গতা নাকি আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের শেষ অধ্যায়? কীভাবে সম্ভব মানুষকে এতো নির্যাতন করা? একটার পর একটা ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে দেশে। এর কারণ কি? মাদক? ক্ষমতা? বিচারহীনতা? নাকি সব কিছু? প্রতিটা ঘটনায় ধর্ষক, নির্যাতকদের সাথে সাথে গ্রেপ্তার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করতে হবে। সেই সাথে যাদের প্ররোচনায় অথবা যাদের প্রশ্রয়ে এমন ঘটনা ঘটছে তাদেরও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। দ্রুত, দৃশ্যমান, কঠিন শাস্তি এতো কঠিন যেন আর কোনো কুলাঙ্গারের কোনো নারীর প্রতি সহিংস আচরণ করার চিন্তা করারও সাহস না হয়। খুব দৃশ্যমান, খুব দ্রুত, খুব কঠিন শাস্তি হলেই শুধুমাত্র সম্ভব এই সমাজ থেকে এই বিকার দূর করা। ’ ৮০-র দশকের সালেহা- ডা. ইকবাল কেইসটি মনে আছে?

অথবা রীমা-মুনির? বাংলাদেশে তখন এমন বেশ কিছু স্বামীর দ্বারা স্ত্রী হত্যার ঘটনা ঘটছিলো। উল্লেখিত কেইস কয়েকটায় হত্যাকারী স্বামীদের ফাঁসি হয়েছিলো খুব দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে। এবং কিছু দিনের মধ্যে একই ধরণের ঘটনার সংখ্যা কমে আসে। একই বিষয় আরও কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে ঘটেছিলো যেমন এসিড সন্ত্রাস। বাংলাদেশে এখন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে গেছে। সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শক্ত হাতে এই কুলাঙ্গার দানবদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। অন্যায় করে পার পেয়ে যাবে ক্ষমতার জোরে এটা হতে দেয়া যাবে না। সকল জনপ্রতিনিধিকে তার এলাকার শান্তি রক্ষার জন্য দায়বদ্ধ রাখুন। এখনই, এই মুহূর্ত থেকে শুরু হোক এর প্রতিকার, এর প্রতিরোধ। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত