প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টি-শার্ট ট্রাউজার সোয়েটার সব পণ্যেরই রফতানি কমেছে

ডেস্ক রিপোর্ট : পোশাকের বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের ধরন আছে সহস্রাধিক। সেখানে স্বল্পমূল্যের টি-শার্ট যেমন আছে, তেমনি আছে উচ্চমূল্যের ওভার কোট, স্যুট ও ডেনিম জ্যাকেট। প্রায় ১ লাখ কোটি ডলারের এ বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় হলেও তা গুটিকয়েক পণ্যনির্ভর। এক দশক ধরে দেশের প্রধান রফতানি পণ্য টি-শার্ট। করোনা মহামারীর আগে থেকেই পণ্যটির রফতানি কমার দিকে ছিল। কভিড এসে টি-শার্টসহ শীর্ষ পণ্যগুলোর রফতানি আরো কমিয়ে দিয়েছে। তবে মেডিকেল গাউনসহ নতুন নতুন কিছু পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে। বণিকবার্তা

বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানির গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রতি প্রান্তিকে পর্যালোচনা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ পর্যালোচনা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয় গত সেপ্টেম্বরে। এতে ১০টি এইচএস কোডে রফতানির শীর্ষে থাকা পণ্যগুলোর গত তিন অর্থবছরের তুলনামূলক রফতানি চিত্র তুলে ধরা হয়। দেশের পোশাক পণ্যের মোট রফতানির এক-তৃতীয়াংশই এ ১০ ক্যাটাগরির দখলে।

বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া পোশাক পণ্যের শীর্ষে রয়েছে টি-শার্ট, সিংলেট ও অন্যান্য ভেস্ট। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ ক্যাটাগরির পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল ৬৫৫ কোটি ডলার। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে ৫২৯ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। সে হিসাবে এক বছরে পণ্যগুলোর রফতানি কমেছে ১৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।

রফতানিকারকরা বলছেন, কভিডের আগে থেকেই পোশাকের শীর্ষ পণ্যগুলোর রফতানি নেতিবাচক ছিল, যার মধ্যে অন্যতম ছিল টি-শার্ট। কভিড পরিস্থিতি রফতানি আরো কমিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে নিয়মিতভাবেই নিজেদের তৈরি টি-শার্ট রফতানি করে নারায়ণগঞ্জের এমবি নিট ফ্যাশন। এ প্রতিষ্ঠানের মালিক বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। বণিক বার্তাকে তিনি জানান, কভিডের আগে থেকেই টি-শার্ট রফতানির ক্রয়াদেশ কমতির দিকে ছিল। কভিড আসার পর পণ্যটি তৈরিতে সুরক্ষাস্বরূপ নতুন কেমিক্যাল ব্যবহারের শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন ক্রেতারা, যা প্রতিপালন খুব সহজ নয়।

বিকেএমইএর এ নেতা বলেন, কভিডকে কেন্দ্র করে কিছু নতুন ধরনের পোশাক পণ্য রফতানি হচ্ছে, উদাহরণ হিসেবে মেডিকেল গাউনের কথা বলা যায়। এছাড়া প্রচলিত পণ্যগুলোর ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্যময় চাহিদার ইঙ্গিত দিচ্ছেন ক্রেতারা। যেমন বিশেষ পণ্যের কাপড়ে বিশেষ ধরনের কেমিক্যালের ট্রিটমেন্ট চাচ্ছেন তারা। বিশেষ করে কোন কেমিক্যাল ব্যবহার করতে হবে, সে বিষয়ে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করছেন ক্রেতারা। এখন টি-শার্টের ক্ষেত্রেও এ ধরনের নতুন শর্ত জুড়ে দেয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে কভিড নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে নানা আঙ্গিকে।

নিট পণ্য টি-শার্ট রফতানির ক্ষেত্রে ক্রেতাদের পক্ষ থেকে নতুন নতুন শর্ত বা নিয়ম অনুসরণের বিষয়টি অস্বীকার করেননি নিট পণ্যের অন্যতম কমপ্লায়েন্ট কারখানা প্লামি ফ্যাশনের কর্ণধার ফজলুল হকও। তবে রফতানির গতিপ্রকৃতি আশঙ্কার তুলনায় ভালো মন্তব্য করে বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পোশাক রফতানির শুরু ওভেন পণ্য দিয়েই। তবে পরে রফতানি ব্যাপকতা বাড়ে নিট খাতের টি-শার্টের মাধ্যমে। দেশের পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় সক্ষমতার ক্ষেত্রটি হলো টি-শার্ট। বিশ্বে টি-শার্টের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন বলেই বিবেচনা করা হয়। কটনভিত্তিক টি-শার্টে বাংলাদেশ এখনো ডমিনেট করে। কভিডের প্রেক্ষাপটেও পণ্যটি রফতানিতে প্রভাব তুলনামূলক ভালো।

টি-শার্টের পরে শীর্ষ ১০ পণ্যের মধ্যে আছে মেনস/বয়েজ ট্রাউজার ও ব্রিচেজ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পণ্যটি রফতানি হয়েছে ৪৩২ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৫৫৫ কোটি ডলার। সে হিসাবে এ ক্যাটাগরির পণ্যের রফতানি কমেছে ২২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

রফতানিতে এর পরই রয়েছে নারীদের ব্যবহার্য ট্রাউজার ও ব্রিচেজ। গত অর্থবছরে এ ধরনের পণ্য রফতানি হয়েছে ২৪৪ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩০৬ কোটি ডলার। এক বছরে রফতানি কমেছে ২০ দশমিক ১৪ শতাংশ।

শীর্ষ ১০ এইচএস কোডের অন্য পণ্যগুলোর মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কটনের তৈরি জার্সি-পুলওভার। গত অর্থবছরে এ ধরনের পণ্য রফতানির পরিমাণ ছিল ১৯০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২২০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রফতানি কমেছে ১৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

রফতানিতে পঞ্চম শীর্ষ পোশাক পণ্য পুরুষ ও নারী উভয়ের ব্যবহার্য শার্ট। গত অর্থবছরে পণ্যটি রফতানি হয়েছে ১৫০ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১৯৫ কোটি ডলার। এক্ষেত্রে রফতানি কমেছে ২৩ শতাংশ।

দেশের শার্ট রফতানিকারকদের মধ্যে অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান নিউএজ গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম বণিক বার্তাকে বলেন, কভিডের আগে কয়েকটি কারখানার ক্ষেত্রে এবং কয়েকটি বিশেষ ক্রেতার ক্ষেত্রে ওভেনের যে ক্রয়াদেশ ছিল সেটা এখন প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে। এটা একটা ভালো লক্ষণ। তবে সামগ্রিকভাবে শিল্পের যে তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় তাতে দেখা যাচ্ছে নিটের ক্রয়াদেশগুলো ওভেনের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি পর্যালোচনার সময় এখনো এসেছে বলে আমি মনে করি না। আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখার প্রয়োজন আছে।

রফতানিতে শীর্ষ দশের মধ্যে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে কৃত্রিম সুতা-কাপড় বা ম্যান মেড ফাইবারের জার্সি-পুলওভার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পণ্যটি রফতানি হয়েছে ১২০ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১৩৮ কোটি ডলার। সে হিসাবে রফতানি কমেছে ১২ শতাংশ।

শীর্ষ দশের সপ্তম অবস্থানে আছে নারীদের ব্যবহূত উইমেনস/গার্লস ট্রাউজার। গত অর্থবছরে পণ্যটির রফতানি ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে। অষ্টম অবস্থানে আছে সিনথেটিক ফাইবারের মেনস/বয়েজ ট্রাউজার। পণ্যটির রফতানি কমেছে ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। নবম অবস্থানে থাকা নিটেড বা ক্রশেটেড মেনস/বয়েজ কটন শার্টের রফতানি গত অর্থবছরে কমেছে ২৬ দশমিক ১০ শতাংশ। দশম অবস্থানে থাকা সিঙ্গেল ইয়ার্ন অব জুট রফতানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

পোশাক শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শীর্ষ ১০ পোশাক পণ্য রফতানি কমাই স্বাভাবিক। একটি পণ্যের যে ইতিবাচক পরিস্থিতি সেটা মূলত পাটজাত পণ্য। কাজেই বলা যায় রফতানি হওয়া শীর্ষ পোশাক পণ্যগুলোর সবগুলোতেই পতন ঘটেছে।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রফতানিকারকরা বলছেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি হলো ক্রেতারা ক্রয়াদেশ দেয়ার বিষয়ে ভাবতে শুরু করেছিল। কিন্তু এখন করোনার সেকেন্ড ওয়েভ দেখা দেয়ায় এ নিয়ে ক্রেতাদের নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। এতে ক্রয়াদেশ দেয়ার গতি আবারো শ্লথ হয়েছে; বলা ভালো থমকে গেছে, বিশেষ করে ইউরোপের বাজারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে এখনো কিছু ক্রয়াদেশ আসছে।

রফতানিকারকদের প্রত্যাশা ছিল, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি নাগাদ পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াবে। নিট পোশাক রফতানিকারক কারখানার এক মালিক বণিক বার্তাকে বলেছেন, সেই আশা ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আগামী এক বছর টিকে থাকা। আর দ্বিতীয় যে ক্রয়াদেশগুলো কম দামে লস দিয়ে প্লেস হচ্ছে সেগুলো নিয়ে কীভাবে টিকে থাকা যায়, সে কৌশল অবলম্বন করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা।

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, গোটা ইউরোপই কভিডে লকডাউন থাকায় বিক্রি কমে গিয়েছিল। সোয়েটারসহ আরো কিছু পণ্য রফতানি এখন হচ্ছে, কিন্তু সেগুলো আগের তুলনায় অনেক কম। সার্বিকভাবে পোশাকের প্রধান পণ্যগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা খুবই শঙ্কিত।

বিকেএমইএ সূত্র বলছে, কভিডকালে যতটুকু বিক্রি হয়েছে তা অনলাইনেই। অনলাইনে কিছু পণ্য কেনাকাটা হয়েছে বলেই মার্চ-এপ্রিল-মে-জুনেও কিছু পণ্য জাহাজীকরণ হয়েছে। অনলাইনে কেনাকাটার সব আমরা ধরতে না পারলেও কিছু ধরা গেছে। অ্যামাজনে আমাদের কিছু পণ্য গেছে, সরাসরি নেয়নি। আমাদের কাছ থেকে যারা পোশাক আমদানি করেছে তাদের থেকে অ্যামাজন নিচ্ছে। এভাবেই অনলাইনে কেনাকাটায় কিছু বাংলাদেশী পণ্য গেছে। ক্ষেত্রটিতে রফতানি সক্ষমতা বাড়াতে পারলে টিকে থাকা সহজ হবে।

পোশাক পণ্যের সার্বিক রফতানির গতিপ্রকৃতি ও নতুন পণ্যের চাহিদা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি এমএ রহিম ফিরোজ বণিক বার্তাকে বলেন, পোশাক পণ্যের মধ্যে প্রধান পণ্য টি-শার্ট। এতদিন বেশির ভাগই ছিল কটন টি-শার্ট। তবে এখন সিনথেটিক টি-শার্ট, যেগুলোকে স্পোর্টসওয়্যার বলা হয়, এ পণ্যগুলোর রফতানি চাহিদা বাড়ছে। পোশাক পণ্যের মধ্যে বৈচিত্র্য বাড়াতে ম্যান মেড ফাইবারের ভূমিকা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে বলেই ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

টি-শার্ট, ট্রাউজার, শার্ট, জ্যাকেট, সোয়েটার—মৌলিক এ পাঁচটি পণ্য উৎপাদনই বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মূল সক্ষমতা। ৪০ বছর ধরে এসব মৌলিক পণ্য ঘিরেই শিল্পোদ্যোক্তারা নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়েছেন। কিন্তু যেকোনো শিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করতে এ পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক কোনো ইঙ্গিত বহন করে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, মৌলিক বা লো-এন্ড পণ্য উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি হাই-এন্ড পণ্য উৎপাদন সক্ষমতা না বাড়লে কোনো শিল্পই দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে না।

তবে বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ শুধু টি-শার্ট ও ট্রাউজারে আটকে থাকবে না বলে মনে করেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। কারণ কারখানার মানোন্নয়নে এরই মধ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে। এ বিনিয়োগ করতে গিয়ে অনেক কারখানা মালিকই দামি পণ্য তৈরির উপযুক্ত প্রযুক্তি স্থাপন করেছেন। আবার টি-শার্ট ও ট্রাউজারে আরো বেশি মূল্য সংযোজন কীভাবে করা যায়, সেদিকেও মনোযোগী হয়েছেন উদ্যোক্তারা। তবে এক্ষেত্রে পোশাকে নকশা তৈরিতে স্থানীয় সক্ষমতার ঘাটতি আছে। আর ক্রেতাদের চাহিদানির্ভর হওয়ার কারণে নকশায় নিজস্ব মতামত দেয়ারও সুযোগ কম বলে জানিয়েছেন তারা।

ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজ উদ্দিন বলেন, ডেনিম পণ্য উৎপাদন সামর্থ্য গত কয়েক বছরে বেড়েছে ব্যাপক হারে। এখন অনেক উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন হচ্ছে বাংলাদেশে। ডেনিম পণ্যে বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ডও এখন বিক্রি হচ্ছে বিশ্ববাজারে। পোশাক খাতের ভবিষ্যৎ তাই শুধুই টি-শার্ট বা বেসিক ট্রাউজারে সীমাবদ্ধ থাকছে না।

রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সাময়িক এক হিসাব বলছে, সর্বশেষ জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে দেশের পোশাক রফতানি প্রবৃদ্ধি হলেও তা ১ শতাংশের নিচে। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশ থেকে ৮১২ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পোশাক রফতানি হয়েছে। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ৮০৫ কোটি ডলারের পোশাক। এ হিসাবে রফতানি প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, পোশাকের প্রধান বাজারগুলো গত দুই মাসে কিছুটা গতি ফিরে পেয়েছে। ফলে ক্রয়াদেশে তার প্রভাব দেখা গেছে। যদিও পণ্যের দাম বিবেচনায় ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।

ইপিবির মোট রফতানির পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে দেশ থেকে মোট ৯৮৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট ৯৬৪ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করেছিল বাংলাদেশ। এ হিসাবে প্রথম প্রান্তিকে দেশের মোট রফতানি বেড়েছে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত