প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আমদানি না করলে চালের দাম কমার সুযোগ নেই : পাইকারি ব্যবসায়ীরা

লাইজুল ইসলাম : [২] চালের দাম বৃদ্ধিতে দেশের নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছেন বিপাকে। তাই সরকার মিলারদের ২৫৭৫ টাকায় ৫০ কেজি মিনিকেট চালের বস্তা বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছে। এতে প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৫১ টাকা ৫০ পয়সা। যা পাইকারি বাজারে এসে মূল্য দাঁড়াবে ৫২-৫৪ টাকায়। সরকার নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি করলে লোকসান গুণতে হবে বলে জানিয়েছেন মিলাররা।

[৩] এই অবস্থায় কারওয়ান বাজারের চাল মালিক সমিতির সদস্য হাসান মাহমুদ বলেন, বৈশাখের আগে নতুন চাল উঠবে না। তাই দাম কমার সুযোগ নাই।

[৪] বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির মালিক শহীদউল্লাহ সরকার বলেন, যেখানে প্রয়োজন একশো বস্তা চাল। সেখানে পাচ্ছি ৫০ বস্তা। এই অবস্থা চলতে থাকলে দাম আরো বাড়বে।

[৫] রশিদ অটো রাইস মিলের জিএম আবুল খায়ের ভূঁইয়া হারুন বলেন, আমরা ধান কিনি ১৩০০-১৩৫০ টাকা করে। এর সঙ্গে প্রসেসিং করতে খরচ হয় ১৫০০ টাকা। তাহলে এক বস্তা চালের দাম হয় ২৮০০-২৮৫০ টাকা। আগের ধান কেনা আছে বলে বিক্রি করতে পারবো। তবে নতুন ধান দিয়ে এই দামে বিক্রি করা যাবে না। লোকসান হবে।

[৬] তিনি বলেন, আমরা কিছুদিন ধান কেনা বন্ধ রাখবো। তাহলে এক হাজারে চলে আসবে ধানের দাম। সেক্ষেত্রে সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি করা যাবে চাল। যারা ধান মজুদ করে দাম বাড়ায় তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান হারুন। সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত