প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে ফের সক্রিয় চোরাচালানী চক্র

স্বপন দেব: [২] সংঘবদ্ধ চক্র প্রায় প্রতি রাতে ভারতীয় অবৈধ গবাদি (মহিষ ও গরু) পশুর চালান নিয়ে আসছে। জুড়ীর ফুলতলা ইউনিয়নের পূর্ব-বটুলি সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি’র ফুলতলা বিওপির টহল দল গত শুক্রবার রাতে ভারত থেকে পাচারকালে একটি অবৈধ মহিষ ও পাঁচটি গরু জব্দ করেছে। এ সময় চোরাচালানীরা পালিয়ে যায়। শনিবার বিকেলে আটক অবৈধ গবাদিপশুগুলো বিজিবি জুড়ী কাষ্টমসে জমা দিয়েছে।

[৩] বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলতলা বিওপির টহল কমান্ডার সুবেদার মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিবি’র টহল দল জুড়ী উপজেলার পূর্ব-বটুলী নামক স্থানে অবস্থান নেয়।

[৪] মেইন পিলার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একজন চোরাকারবারী ভারতীয় অবৈধ মহিষ ও গরুর একটি চালান নিয়ে আসতে দেখে বিজিবি তাকে ধাওয়া করে। পরবর্তীতে বিজিবি টহলদল মালিকবিহীন অবস্থায় ১টি ভারতীয় মহিষ ও ৫টি ভারতীয় গরু আটক করতে সক্ষম হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২ লাখ টাকা।

[৫] সীমান্তবাসী সূত্র জানায়, বড়লেখা উপজেলার বোবারথল ও জুড়ী উপজেলার বটুলি সীমান্ত দিয়ে গত দেড়-দু’মাস ধরে চোরাকারবারীরা ভারতীয় মহিষ-গরু পাচারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

[৬] বোবারথলের সীমান্ত পিলার ৮২ ও ৮৩ সংলগ্ন স্থান দিয়ে অবাধে ৪০ থেকে শতাধিক অবৈধ মহিষের চালান দেশে ঢুকলেও নির্বাক বিজিবি।

[৭] রাতের আধার ছাড়াও সকালে মহিষ ও গরুর চালান ছোটলেখা বাজার ও পাল্লাথল চা বাগান হয়ে বড়লেখা সদর ইউনিয়নের বিছরাবাজারের জনৈক হাসানের ঘাটে নেয়া হয়। সেখান থেকে ছোটবড় চোরাচালান চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারের কাছে ভারতীয় গরু-মহিষগুলো বিক্রি করছে। দূর্গা পুজাকে সামনে রেখে চোরাকারবারীরা অবৈধ গবাদি পশুর আড়ালে মাদকের বড় চালান নিয়ে আসার আশংকা রয়েছে।

[৮] বিবিজি ৫২ ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল গাজী শহীদুল্লাহ জানান, সীমান্তে সবধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি তৎপর রয়েছে। শুক্রবার রাতে আটক ভারতীয় অবৈধ গবাদিপশুগুলো শনিবার বিকেলে জুড়ী কাষ্টমসে জমা দেয়া হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত