প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইনফ্লুয়েঞ্জাও ছোঁয়াচে রোগ, জ্বর হলে শরীরে ব্যথা থাকে ২-৩ দিন : ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা

শাহীন খন্দকার : [২] বিএসএমএমইউ উপ-রেজির্ষ্টার মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা কোভিড আতঙ্ক প্রসঙ্গে বলেন, কেউ ভয়ে শারীরে অন্য অসুখ অথবা জ্বরের খবর বলতে চাচ্ছেন না। এছাড়া ঠান্ডা-কাশি কিংবা গলা ব্যথা থাকলে তো কথাই নেই।

[৩] করোনার আতঙ্কে অনেকে ভুলেই যাচ্ছে সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার কথা। অথচ ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে এটিও অনেকেরই হয়। তবে ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে হালকা থেকে মাঝারি জ্বরের সঙ্গে গা ম্যাজম্যাজ, সর্দিভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধের মতো উপসর্গ থাকে। কখনও কখনও কাশিও হয়।

[৪] ডা. মির্জা নাহিদা বলেন, এমন যদি হয়, কফ তোলার জন্য কাশি হচ্ছে, কিন্তু কফ উঠছে না, এ অবস্থায় চিন্তার কিছু নেই। বিশ্রামে থাকতে হবে। গরম পানির ভাপ নিতে হবে।

[৫] সেই সঙ্গে হালকা খাবার ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। আরো বলেছেন এ সময জ্বর বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্যারাসিটামল খেতে পারেন। খেতে পারেন মাল্টিভিটামিনও। পাশাপাশি মাস্ক পরে বাড়ির অন্যদের থেকে আলাদা ভাবে থাকতে হবে।

[৬] কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বর হলে শারীরে ব্যথা মোটামুটি ২-৩ দিন থাকে। তারপর কমতে শুরু করে। যদি ৪-৫ দিন পরও জ্বর থাকে, কিংবা জ্বর বাড়তে শুরু করে, রোগী দুর্বল হয়ে পড়েন, বুকে চাপ বা শ্বাসকষ্ট শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে করোনার পরীক্ষা করাতে হবে। তবে একটি সংক্রমণ অন্য সংক্রমণকে ডেকে আনতে পারে।

[৭] কাজেই এই পরিস্থিতিতে ইনফ্লুয়েঞ্জা হওয়া মানে করোনার আশঙ্কাও বেড়ে যাওয়া। এ কারণে সাবধানতার কোনও বিকল্প নেই। সুতরাং বাড়িতে কারও জ্বর হলে, সেটা ইনফ্লুয়েঞ্জা হোক কি কোভিড, তাকে আলাদা করে দিতে হবে।

[৮] রোগী ও পরিবারের সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সেই সঙ্গে বার বার হাত ধুতে হবে। জ্বর হলে উপসর্গের দিকে লক্ষ্য রাখুন। সেই সঙ্গে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।

সর্বাধিক পঠিত