প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] খোলা হয়েছে শিশু পার্ক, বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান [২] কিন্ডারগার্টেনগুলোর দুর্দশা বাড়ছেই

শরীফ শাওন: [৩] বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা হতবাক হয়েছি। কিন্ডারগার্টেনে আমরা শিশুদের স্বাস্থ্যবিধি শেখাতে পারতাম, এতে অভিভাবকরাও সচেতন হতে পারতো।

[৪] তিনি বলেন, শিক্ষায় যে সফলতা এসেছে তা আমাদের মতো উদ্যোক্তাদের কারণে, সরকারের কোন অংশিদারিত্ব নেই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে সাক্ষাত, স্মারকলিপি, মানববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলন করেছি। ১০ লাখ রোহিঙ্গাদের সহায়তা করা হলেও আমাদের করা হয়নি। স্বাস্থ্যকমিটিতে থাকা বুদ্ধিজীবীরা সরকারকে মিসগাইড করছে।

[৫] কিন্ডারগার্টেন উদ্যোক্তারা বলেন, অন্যান্য পেশাজীবীর লোকেদের আয় কমলেও করোনায় দীর্ঘ ৭ মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এক টাকাও উপার্জন নেই। আমাদের ৩ উদ্যোক্তা বাড়ি ভাড়া না দিতে পেরে আত্মহত্যা করেছে। বাকিরা অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।

[৬] তারা বলেন, আমরা অনলাইন ক্লাস চালু করেছিলাম। প্রাথমিক পর্যায়ে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী যুক্ত হলেও টিউশন ফি চাইতেই অভিভাবকরা ফিরে গেছেন।

[৭] অভিযোগ জানিয়ে বলেন, সব স্বাভাবিক নিয়মে চলছে, ব্রিটিশ কাউন্সিলকে পরীক্ষার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, কাওমি মাদ্রাসা খুলে দিয়েছে, হাটহাজারী মাদ্রাসা পরীক্ষা অব্যাহত রেখেছে, আমাদের প্রতি সরকারের দৃষ্টি নেই।

[৮] সূত্র জানায়, দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিন্ডারগার্টেন (বাংলা মাধ্যম) প্রতিষ্ঠান, ১০ লাখ শিক্ষক ও ১ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। যার মধ্যে করোনাকালে বন্ধ হয়েছে ১ হাজার প্রতিষ্ঠান।

[৯] ঢাকা বিশ্বব্যিালয় অধ্যাপক আলি আক্কাস বলেন, শিশুদের স্বাস্থ্যবিধি মানানো কঠিন। শিক্ষার চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি। কিন্ডারগার্টেনে শিশুদের যে প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়, তা অভিভাবকরা পূরণ করতে পারবেন। সরকারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত