প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চলনবিলে মৎস্য হিমাগার না থাকায় বিপুল আর্থিক ক্ষতিতে মৎস্যজীবী ও শুটকটি চাতাল ব্যবসায়ীরা

জাকির আকন: [২] দেশের মৎস্য ভান্ডারখ্যাত চলনবিল এলাকায় আহরণকৃত মৎস্য সংরক্ষণের জন্য মৎস্য প্রসেসিং হিমাগার না থাকায় প্রতি বছরে কয়েকশ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে মৎস্যজীবি ও শুটকটি চাতাল ব্যবসায়ীরা ।

[৩] সরজমিনে ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলনবিল অধ্যুষিত ৯টি উপজেলায় প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষ বর্ষা মৌসুমে বিলের জলাশয় থেকে মৎস্য শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। চলনবিল এলাকায় আহরণকৃত মৎস্য সংরক্ষণের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে কোন হিমাগার গড়ে উঠেনি। ফলে চলনবিলের প্রান্তিক মৎস্যজীবীরা বিল থেকে হাজার হাজার মণ মৎস্য স্থানীয় আড়ত, হাট বাজারে বিক্রি করে থাকেন।

[৪] মৎস্য ভান্ডারখ্যাত চলনবিলের তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, গুরুদাসপুর, সিংড়া ও আত্রাই উপজেলার বিস্তির্ণ চলনবিল এলাকায় ৫শতাধিক শুকটি মাছের চাতাল গড়ে উঠেছে। চলনবিলের মধ্যে নির্মিত হাটকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের পার্শ্বে ও বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে পাশে গড়ে উঠেছে শতাধিক শুটকটির চাতাল।

[৫] স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, মাছের সংরক্ষণের জন্য মৎস্য হিমাগার না থাকায় প্রতি বছর কয়েকশ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির শিকার ব্যবসায়ীরা। তাড়াশ উপজেলার মহিষলুটি এলাকার শুকটি চাতালের মালিক মো. আব্দুস শুকুর জানান এবছরের বৃষ্টিতে তার চাতালে লক্ষাধিক টাকা শুটকটি মাছ বিনষ্ট হয়েছে। তিনি আরো জানান চলনবিলের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মহিষলুটি বাজারে একটি মৎস্য হিমাগার হওয়া দরকার।

[৬] তাড়াশ উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড এ্যাসিসটেন্ট মো. আহসান আলী জানান দেশের দক্ষিণাঞ্চালে সামদ্রিক মাছ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার থাকলে দীর্ঘ দিনেও চলনবিল এলাকায় মৎস হিমাগার গড়ে উঠেনি। আমরা নিমগাছি মৎস্য প্রকল্পের আওতায় হিমাগার নির্মাণের জন্য প্রকল্প পাঠিয়েছি এবং গত বছর মৎস্য অধিদপ্তরের সমীক্ষা দল এসেছিল। সম্পাদনা: শাহাদাৎ

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত