প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুভাষ সিংহ রায়: বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত

সুভাষ সিংহ রায়: শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির বিকল্পহীন অবলম্বন। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার হত্যাকাণ্ডের পর দেশে থাকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সামরিক শাসনব্যবস্থা ষড়যন্ত্র করে দেশটাকে উল্টো দিকে নিয়ে গিয়েছিলো। বাংলাদেশ পাকিস্তানের দিকে যাত্রা শুরু করেছিলো। ১৯৯৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে দেশকে মূল জায়গা ফিরিয়ে এনেছেন। শান্তি প্রতিস্থাপন করেছেন। ফলে বাংলাদেশ এখন সারা পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। অগ্রতি, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। যা তার মননশীল চিন্তাশক্তি, সুকৌশল জ্ঞানবুদ্ধি দিয়ে অলৌকিক ভাবে বাস্তবায়ন করেছেন।

কোভিড মোকাবেলায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বলেছিলো, বাংলাদেশের অবস্থা খুবই খারাপের মধ্যে যাবে। কিন্তু দেখা গেছে, ৩৬টি উন্নয়নশীল অর্থনৈতিক দেশের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, চীন থেকেও এগিয়ে রয়েছে। তবে ধারণা করা যাচ্ছে, কোভিড পরবর্তী অর্থনীতিতে বাংলাদেশ ৯ম স্থানে অবস্থান করবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা কোভিড মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক রাখতে মানুষের মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছেন।

বর্তমানে সারা পৃথিবীর ৩টি প্রবৃদ্ধিশালী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। চীনের সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। তবে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার আগে কিছু মহল বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিতে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে চক্রান্ত চালিয়েছিলো। বাংলাদেশকে ইতিহাস থেকে বিলীন করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলো। তিনি ক্ষমতায় আসার পরে সব কিছুর অবসান ঘটেছে। ১৯ বার হত্যার মুখোমুখি হওয়ার পরেও দেশকে এবং দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখতে একটুও থেমে থাকেননি। নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে আজও বাংলাদেশের জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন।
তিনি কোভিড সময়কালে ১ হাজার ৯৩৬টি মিটিং করেছেন। সেগুলো এখন ৫ ভলমের একটি গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হবে। তার নেতৃত্ব এখন সারা পৃথিবীতে প্রশংসিত হচ্ছে। মূলত সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশ এখন ম্যাজিক। বঙ্গবন্ধু অল্প কিছুদিন রাষ্ট্র পরিচালনা করে দেশকে যে, জায়গা নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ এতোদিন সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া, জাপান, চীন ও ভারতকেও ছাড়িয়ে যেতো। মূলত বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা সেই চক্রান্ত থেকে দেশকে মুক্ত করে একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে রূপান্তরিত করেছেন।

বাংলাদেশ এখন উন্নতির চরম শিখরে আহরণ করেছে। আগে সৌদি আরবকে আমাদের দেশ থেকে লোক নিতে বলেছি। এখন আমরা তাদের বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ করার কথা বলি। এর পেছনে একমাত্র অবদান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার। তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করতেই আমাদের মধ্যে একজন কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। মূলত তিনি যা কিছু করেন সেগুলো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার রেখে যাওয়া পথগুলো অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে পরিচালনা করছেন। তবে এখনো সাধারণ মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি খুঁজে পান।

পরিচিতি : সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। সাক্ষাৎকার: মিনহাজুল আবেদীন

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত