প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিফ জেবতিক: এমসি কলেজের প্রিন্সিপাল মেরুদণ্ডহীন দালাল

আরিফ জেবতিক: এমসি কলেজের প্রিন্সিপাল সালেহ আহমেদ একটা ইন্টারেস্টিং কারেক্টার। ধর্ষণের ঘটনার পরপর সন্ধ্যাবেলাই পুলিশ হোস্টেলে গিয়েছে, কিন্তু সালেহ আহমেদ তার বাসা থেকে বের হয় নাই। সে ঘটনাস্থলে গেছে রাত ১০টার পরে। উনি কোন ডিপার্টমেন্টের টিচার এটা জানতে চাইলাম, অধিকাংশ সদ্য প্রাক্তন ছাত্ররা খালি বলে, ‘শুনেছি উনি প্রবাসী এক আওয়ামী লীগ নেতার ভাগ্নে।’ উনার নিজস্ব পরিচয় ছাপিয়ে এইসব পরিচয় চাউর হওয়াটাই অদ্ভুত।
তার আস্কারাতে এই এলাকায় ছাত্রলীগ নেতারা মগের মুল্লুক গড়ে তুলেছে। গতকালের ঘটনা রাষ্ট্র হয়েছে কারন এই দম্পতি ছিল বিবাহিত দম্পতি। আমাকে কয়েকজন বলেছে যে, কলেজের আশেপাশে যেহেতু অনেক টিলা-গাছপালা আছে, এখানে ঘুরতে আসা বাইরের প্রেমিক-প্রেমিকারা নিয়মিত এরকম হেনস্থার শিকার হয়। ছাত্রলীগের এই গ্রুপটা এরকম আরো ধর্ষনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে কানাঘুষা আছে।
সালেহ আহমেদের প্রত্যক্ষ আস্কারায় এখানে বেপরোয়া ঘটনা ঘটে। চিন্তা করেন, হোস্টেল সুপারের বাংলো এই বখাটেরা দীর্ঘদিন ধরে দখল করে বসবাস করে। হোস্টেলে রুম দখলে রাখা এক কথা, আর সুপারের বাংলো দখল করে সেটাকে বালাখানা বানিয়ে রাখা আরেক কথা।
আজকে সে যেভাবে মুখ চুন করে, ‘আমি কিতা করতাম, আমি অসহায়’- এই মুডে বক্তব্য দিচ্ছে, সেটা সঠিক না।
সে ছাত্রলীগের এমন বশংবদ ও ব্যক্তিত্বহীন কারেক্টার, আগে ছাত্রনেতারা ধরেন কলেজের পিওন বা দারোয়ানকে দিয়ে যেমন এক প্যাকেট সিগারেট আনিয়ে নেয়ার মতো ফুটফরমাশ খাটাতো, প্রিন্সিপাল সালেহ আহমেদরে দিয়া একই রকম ফুটফরমাশ খাটানো সম্ভব বলে খোঁজখবর নিয়ে আমার মনে হয়েছে।
আমি শাহপরান থানার পুলিশ, বিশেষ করে ওসি সাহেবকে ধন্যবাদ জানাই- সরকারি ছাত্র সংগঠন এই কুকাণ্ড করেছে জানা সত্ত্বেও তিনি তাৎক্ষনিক ভাবে হোস্টেলে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
আমাদের ধারনা যে সবখানে পুলিশ অফিসাররা সরকারি গুন্ডাদের বেলায় চোখ বন্ধ করে রাখে, দেখা যাচ্ছে এই ওসি সাহেব সেটা মিথ্যা প্রমান করে দিয়েছেন।
আফসোস, পাশের থানায় এরকম মেরুদণ্ডওয়ালা ওসি আছেন, কিন্তু একটা মেরুদণ্ডহীন দালাল শ্রেনীর লোক প্রিন্সিপাল হওয়ায় এই সোয়াশ বছরের পুরোনো কলেজ আজ নরকে পরিনত হয়ে আছে। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত