প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অনলাইন ক্লাস নেয়ার ক্ষেত্রে দেশসেরা রাজবাড়ী জেলা

ইউসুফ মিয়া: [২] করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত মার্চ মাস থেকে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। বিকল্প হিসেবে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় সংসদ টিভিতে অনলাইন ক্লাসের পাশাপাশি প্রতিটি জেলাতেও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনলাইন ক্লাস নেয়া হচ্ছে।

[৩] প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই (অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন) প্রকল্পের আওতায় জেলাগুলোর অনলাইন ক্লাসের কাউন্ট করে নিয়মিত আপলোড করা হচ্ছে। তাদের এবং শিক্ষক বাতায়নের তথ্য অনুযায়ী, রাজবাড়ী জেলা বর্তমানে সারা দেশের মধ্যে এই অনলাইন ক্লাস নেয়ার ক্ষেত্রে প্রথম অবস্থানে রয়েছে।

[৪] জানা গেছে, রাজবাড়ী জেলার ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ক্লাস চালু রেখেছে। তার মধ্যে ১৬টিই রাজবাড়ী সদরের এবং বাকীগুলো অন্যান্য উপজেলার। প্রতিদিন শিক্ষকরা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে। জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনলাইন ক্লাস করাচ্ছে ইয়াছিন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিদিন বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা গড়ে ১২-১৩টি করে অনলাইন ক্লাস নিচ্ছেন।

[৫] বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে স্কুল বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রেখে সময়োপযোগী অনলাইন ক্লাসগুলো নেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত তারা ৬৬০টি ক্লাস নিয়েছেন। স্কুলের ২৮ জন শিক্ষক এই অনলাইন ক্লাস নেয়ার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাদের এই অনলাইন শিক্ষাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।

[৬] রাজবাড়ী সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ ইকবাল হাসান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও পরিশ্রমের ফলে রাজবাড়ী জেলা অনলাইন ক্লাসের দিক দিয়ে সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে যেতে সক্ষম হয়েছে। এই অনলাইন কীভাবে আরও মানোন্নয়ন করা যায় সে ব্যাপারে তারা সচেষ্ট রয়েছেন।

[৭] জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শামসুন্নাহার চৌধুরী বলেন, অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে রাজবাড়ী জেলা সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে-এটা আমাদের জন্য গর্বের। এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রায় ৫ হাজার ক্লাস নেয়া হয়েছে।

[৮] এ ব্যাপারে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুশফিকুর রহমান-এই দু’জনের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাদের আন্তরিক সহায়তার জন্য আজ আমরা দেশসেরা হতে পেরেছি।

[৯] অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুশফিকুর রহমান বলেন, সফলভাবে টিম-ওয়ার্কের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রমকে কীভাবে আরও ফলপ্রসু করা যায়-সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত