প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২৪ লাখ টাকার মদ-বিয়ার ও সিসা জব্দ, গ্রেপ্তার ২

সুজন কৈরী : অনুমোদন ছাড়া বিদেশি মদ-বিয়ার বিক্রি ও সিসা লাউঞ্জ পরিচালনা করার অভিযোগে রাজধানীর গুলশানে হর্স অ্যান্ড হর্স রেস্টুরেন্টে অ‌ভিযান চা‌লি‌য়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএন‌সি)। অ‌ভিযানকা‌লে রেস্টুরেন্ট থে‌কে ২০৩ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ, ৮১০ ক্যান বিয়ার, দুই কেজি সিসা ও সিসা সেবনের ৩টি হুক্কা জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হ‌য়ে‌ছে রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার মনির ও ক্যাশিয়ার নাহিদ সরোয়ারকে।

বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত গুলশান এভিনিউয়ের ৫৩ নম্বরস্থ রেস্টুরেন্টটিতে অ‌ভিযান চালা‌য় ডিএন‌সি।

অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তর অঞ্চলের গুলশান সার্কেলের পরিদর্শক মো. সামসুল কবীর বলেন, রেস্টুরেন্টের বার লাইসেন্স নেই। বেআইনিভাবে মদ বিক্রি করছিল। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই মদ সংগ্রহ করে বিক্রি করছিল। বার পরিচালনার অনুমতি না নিয়ে মদ-বিয়ার কেনাবেচা করছিল।

ডিএন‌সির ঢাকা মেট্রো উত্তর অঞ্চলের সহকারী-পরিচালক (এডি) মো. মেহেদি হাসান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই রেস্ট্ররেন্টে অনুমোদন ছাড়া বিদেশি মদ ও বিয়ার বিক্রি করছিল। অ‌ভিযানকা‌লে রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার এ বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। অবৈধভাবে মদ, বিয়ার, বিক্রি ও নিষিদ্ধ মাদক সিসা সেবন কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়ে‌ছে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় রেস্টুরেন্টের মালিক মেহেরীন সারা মনসুর, ও গ্রেপ্তার দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মেহেরীন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সেইসঙ্গে তদন্তে আরও যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।

জানা গেছে, লাইসেন্স না থাকার পরও রেস্টুরেন্টটি লাইসেন্স থাকার দাবি করে প্রকাশ্যে বিদেশি মদ-বিয়ার বিক্রি করছিল। চোরাই বাজার থেকে বিদেশি মদের বোতল এনে রেস্টুরেন্টটিতে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছিল। আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি বিয়ারও দেদারছে বিক্রি হচ্ছিল। রাতভর চলছিল আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি মদের দেদার কেনাবেচা। স্বাস্থ্যবিধি মানা তো দূরের কথা, করোনার মধ্যে এখানে সবই চলছিল স্বাভাবিক ভাবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমান বলেন, আমরা যখনই এ ধরনের অবৈধ মদ-বিয়ার বাণিজ্যের অভিযোগ পাই, সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেয়া হয়। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

সর্বাধিক পঠিত