প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শীত মৌসুমে করোনাভাইরাস বাড়বে কিনা এখনও নিশ্চিত না আমরা : ডা. মুনীরুজ্জামান

শাহীন খন্দকার : [২] মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এবং ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুনীরুজ্জামান সিদ্দিকী এক কথা জানালেন। তিনি বলেন, সামনে আসছে শীত মৌসুম। শীতের সময় যেকোনো ভাইরাসজনিত রোগ বাড়ে। এ সময়ে মানুষের শরীরে ইমিউনিটি কমে যায়।এ কারণে আশঙ্কা ঋতু পরিবর্তনের সময় (শীতের আগমনে) করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাবে,তবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

[৩] এদিকে প্রথম দফায় সংক্রমণ যত ব্যাপক ছিল-দ্বিতীয় দফায় তা আরো মারাত্মক হবে নিশ্চি করে বলা যাচ্ছে না। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন হবার সম্ভাবনা আছে। যদিও এটা বলা হচ্ছে অন্য ভাইরাসের ওপর ভিত্তি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, অনেকাংশেই করোনাভাইরাস আছে মোট চার রকমের-যা সাধারণ সর্দিজ্বরের লক্ষণ সৃষ্টি করে। সর্দিজ্বর শীতের সময়ই বেশী দেখা দেয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা, রাইনোভাইরাস এবং আরএসভি নামে আরেকটি ভাইরাসএর সবগুলোরই আচরণ মোটামুটি একই রকম।

[৪] শীতের সময়ে একই সাথে শীতকালীন ইনফ্লুয়েঞ্জা আর করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করছেন অনেক বিজ্ঞানী ও গবেষক। তবে করোনা রোধে সচেতনতাই উত্তম। ‘করোনার ভ্যাকসিন আসছে ভেবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে গা-ছাড়া ভাব দেখা দিয়েছে। অনেকে অবহেলা করছেন এবং মাস্ক পরিধান করছেন না। ডা. মুনীরুজ্জামান বলেন, কার্যকর ও সর্বজনগ্রাহ্য ভ্যাকসিন কবে আসবে তা এখনও সুনিশ্চিত নয়। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং মাস্ক পরিধানই সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক বলে তিনি পরামর্শ দেন। এই ডাক্তার মনে করেন করোনার সংক্রমণ রোধে সচেতনতাই হচ্ছে উত্তম ভ্যাকসিন।’

[৫] দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। গতকাল বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেওয়া সরকারি হিসাবে, দেশে এখন পর্যন্ত মোট অদ্যাবধি সনাক্ত ৩৫৫৩৮৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৫০৭২জন। আর সুস্থ হয়েছেন ২,৬৫.০৯২জন। শিগগিরই দেশে করোনা সেকেন্ড ওয়েভ আঘাত আনতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত