প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবিকে কোভিড টিকা দিচ্ছে জনসন অ্যান্ড জনসন, বড় ধরনের ট্রায়াল শুরু

রাশিদুল ইসলাম : [২] ভ্যাকসিনের একটি প্রয়োগেই রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হবে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানী পল। জনসনের ভ্যাকসিনের একটিই ডোজ দেওয়া হবে স্বেচ্ছাসেবকদের। টাইমস অব ইন্ডিয়া

[৩] মোডার্না বায়োটেক, ফাইজার-বায়োএনটেকের পরে জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন গ্রুপের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার পল স্টোফেলস বলছেন একটি ডোজেই পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় শরীরে। রক্তের টি-লিম্ফোসেইট কোষও সক্রিয় হবে। এই টি-কোষ ভাইরাল স্ট্রেন সমেত সংক্রামিত কোষকে নষ্ট করে দিতে পারে। টি-কোষ অ্যাকটিভ হলে শরীরে জোরালো রোগ প্রতিরোধ তৈরি হয়।

[৪] বায়োমেডিক্যাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাকসিন তৈরি করছে জনসন অ্যান্ড জনসনের রিসার্চ উইং জ্যানসেন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। কোম্পানির চিফ একজিকিউটিভ অফিসার অ্যালেক্স গোরস্কি জানিয়েছেন, ল্যাবরেটরিতে পশুদের শরীরে এই ভ্যাকসিনের সেফটি ট্রায়ালে সুফল পাওয়া গেছে। ড্রাগ রেগুলেটরি কমিটির অনুমোদনে বৃহত্তর ট্রায়াল শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে প্রায় ১০০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করছে জনসন অ্যান্ড জনসন।

[৫] হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের অধ্যাপক ও গবেষকদের সহযোগিতায় ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট বানিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন। গবেষকরা বলেছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনকে নিষ্ক্রীয় করে তাকে ল্যাবরেটরিতে বিশেষ পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ করে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট তৈরি হচ্ছে। মানুষের শরীরে ঢুকলে সেই নিষ্ক্রীয় ভাইরাল প্রোটিন ‘মেমরি বি সেল’ তৈরি করবে। এই সেলের কাজ হল বাইরে থেকে শরীরে ঢোকা ভাইরাল প্রোটিন বা অ্যান্টিজেনগুলোকে চিহ্নিত করে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করা।

[৬] যুক্তরাষ্ট্রে কে আগে কোভিডের টিকা আনবে মোডার্না বায়োটেক বা ফাইজার, সেই নিয়ে জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির দুই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিই তাদের ভ্যাকসিনের তৃতীয় স্তরের ট্রায়ালে রয়েছে। দুই সংস্থার ভ্যাকসিনের প্রভাবই কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি। যুক্তরাষ্ট্রে এখন তৃতীয় স্তরের সবচেয়ে বড় ট্রায়াল করছে মোডার্না বায়োটেকনোলজি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজারের বেশি জনকে টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া হচ্ছে। মোডার্না জানিয়েছে, তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালের রিপোর্ট ক্রমশই ভালর দিকে যাচ্ছে।

[৭] সবচেয়ে বড় খবর হল ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের শরীরেও টিকার ডোজে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে, কমবয়সীদের থেকেও কয়েকজন প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডির সংখ্যা অনেক বেশি। অন্যদিকে, ফাইজার জানিয়েছে, জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের সহযোগিতায় টিকার সুরক্ষা ও কার্যকারীতা নিশ্চিত করা গেছে। প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে টিকার ইঞ্জেকশন দিয়ে কোনও অ্যাডভার্স সাইড এফেক্টস দেখা যায়নি।

সর্বাধিক পঠিত