প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তুরাগে সচিব পরিচয়ে চলতো ড্রাইভার মালেক, নিরাপত্তায় রাখতো আগ্নেয়াস্ত্র

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] মালেক ড্রাইভারের সিন্ডিকেটে এমন অন্তত ৩০ জনের নামের তালিকা নিয়ে মাঠে নেমেছে র‍্যাব। এই সিন্ডিকেটের অধিকাংশই হলো সরকারি কর্মচারী। সিন্ডিকেটে থাকা এসব সদস্যদের নাম ফাঁস করেছে বিপুল সম্পদের মালিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার মালেক।

[৩]এছাড়াও রয়েছে বেসরকারি নামিদামি প্রতিষ্ঠানের কর্নধর। এমন একটি তালিকা ইতোমধ্যে দুদকেও পাঠানো হয়েছে বলে র‍্যাব সূত্রে জানা যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এমনকি জানিয়েছে তার কাছে থাকা অস্ত্রের উৎসও।

[৩] তুরাগ এলাকায় ড্রাইভার মালেক নিজেকে সচিব বলে পরিচয় দিতেন। তা বহাল রাখতেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যে গাড়িটি তিনি নিজে ব্যবহার করতেন সেটার জন্য রেখেছিলেন ড্রাইভারও। রাজাবাড়ি হোল্ডিংস এলাকায় ১৫ কাঠার উপর তার ডেইরি ফার্মের পাশে পিতার কবর। [৪]পরে তিনি এটাকেও বানিয়েছেন সুফী মাজার। এছাড়াও কাছেই ভাবনার টেক এলাকায় তার বাকি সম্পদের খবর কারও অজানা নয়।

[৫] র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মালেক বলেছে তার সাথে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা বাকি সিন্ডিকেট সদস্যদের নাম। যেটির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্যবস্থা নেবেন বলেও আশাবাদি তিনি। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আনুকূল্যেই মালেকের এই সম্পদ বলেও জানান আশিক বিল্লাহ।

[৬] এসময় তিনি মালেকের বরাত দিয়ে আরো জানান, মালেকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অবৈধ অস্ত্র মূলত সে তার নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করতেন। এছাড়াও জালটাকা নিয়ে তার বক্তব্য ধোঁয়াশে। তবে ড্রাইভার মালেকের উপর আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করছে তার পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি অস্ত্র ও জালটাকা উদ্ধারের সকল অভিযোগ মিথ্যা। মালেকের কাছে এমন কিছু ছিলো না। দুদক চাইলে বাকি সিন্ডিকেট সদস্যদের ধরতে কাজ করা হবে বলে জানিয়েছের র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত