শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের দাবি: মার্কিন হুঁশিয়ারিতে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে তেহরান ◈ যে কারণে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার ◈ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: কাছাকাছি মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক শক্তির হিসাব ◈ এবার ভারত থেকে ইলিশ এল বাংলাদেশে, বেনাপোল বন্দরে ৫৩ কাটুন আটক ◈ দেশের বাজারে সব রেকর্ড ভেঙে সোনার দামে ইতিহাস ◈ ট্রাম্প প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা স্থগিত হচ্ছে ◈ নবম পে স্কেল: ফের বৈঠকে বসছে কমিশন, চূড়ান্ত হতে পারে একাধিক বিষয় ◈ নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা ◈ নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান অধ্যাপক আলী রীয়াজের

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঢাকার ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা: একজনের মৃত্যুদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন

মহসীন কবির : [২] পুরান ঢাকার লালবাগের কাচ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ অপহরণ পূর্বক হত্যা মামলার আসামি জয়নালকে মৃত্যুদণ্ড ও আরেক আসামি রুস্তম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১শে সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। ডিবিসি ও যমুনা টিভি

[৩] এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ মামলায় কারাগারে থাকা দুই আসামি জামাই ফারুক ও ইদ্রিস জামাই নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদেরকে খালাস দিয়েছেন।

[৪] ২০১ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আসামি জয়নাল ও রুস্তম দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া তাদের দুজনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

[৫] গত ১৪ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ১৯শে ফেব্রুয়ারি ঠিক করেন। কিন্তু ওইদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত ১লা এপ্রিল ধার্য করেন। কিন্তু এরপর করোনাভাইরাসের কারণে আদালত সাধারণ ছুটিতে থাকায় আর রায় ঘোষণা হয়নি। পরে আদালত ২১শে সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

[৬] ১৯৯৮ সালের ৫ই মার্চ সকাল ৭টায় আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ লালবাগ রোডের বাসা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। আজিজকে খুঁজে না পেয়ে ছোট ভাই মো. বাচ্চু মিয়া লালবাগ থানায় একটি জিডি করেন।

[৭] এর ১২ দিন পর একই বছর ১৭ই মার্চ মাকসুদ ও আমানুল্লাহ নামে দুজনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অপহরণ মামলা করেন বাচ্চু মিয়া।

[৮] মামলায় বলা হয়, মাকসুদ ও আমানুল্লাহর সঙ্গে ভাঙা কাচের ব্যবসা করতেন আব্দুল আজিজ চাকলাদার। তারা দুজন আজিজের কাছে ব্যবসায়িক কারণে ২৫ হাজার টাকা পেতেন। টাকা লেনদেনের কারণে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এ কারণে মাকসুদ ও আমানুল্লাহ তাঁকে অপহরণ করেন। তদন্ত চলাকালে রূপসা নদী থেকে আজিজের মাথার খুলি ও হাঁড় উদ্ধার করা হয়।

[৯] মামলাটিতে ২০০০ সালের ৪ঠা এপ্রিল লালবাগ থানার তৎকালীন এসআই মো. আব্দুর রাকিব খান সাতজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরা হলেন খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, লস্কর মোহাম্মদ লিয়াকত, মো. নূরে আলম, ইদ্রিস জামাই, জয়নাল, জামাই ফারুক ও মো. রুস্তম আলী।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়