প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রবিউল আলম: কুকুর নিধন কি খুব প্রয়োজন?

রবিউল আলম: কুকুর নিধন, জীবাণুমুক্ত মাংস, প্রানি সম্পদ উন্নয়ন ও রক্ষার জন্য সাবেক পৌরসভার একটা বিভাগ ছিলো ভেটেরিনারি, যেটা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় পশু ডাক্তার নিয়ে গঠিত। পৌরসভা থেকে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন গঠিত হওয়ার পরে ভেটেনারি বিভাগের কার্যক্রম ছিলো চোখে পড়ার মতো। বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের মতো অমানবিক কার্যক্রম চলাকালীন সময় ব্যাপক জনসমাগম ঘটতো। একদল কর্মচারী হাতে লম্বা রডে কিলিপ দিয়ে কুকুরকে চেপে ধরে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলতো। কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করতে করতে একসময় নিস্তেজ হয়ে যেতো। কোনো এক মানবাধিকার কর্মী অথবা বিচারপতি নজরে আসায় আদালতের নজরে আনা হয়। আদালত কুকুর নিধন নিষিদ্ধ করেন।
কুকুর পরিবেশ রক্ষা, নিরাপত্তায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। দুঃখজনক হলেও সত্য আদালতে কুকুর নিধন নিষিদ্ধ করাকে গ্রহণ করলেও কুকুরকে জন্ম নিবন্ধন, জলাতঙ্ক বিস্তারের জন্য ইনজেকশন ও নিয়মিত চিকিৎসা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেননি। সিটি কর্পোরেশন হওয়ার পরে কুকুর নিধন বন্ধ করাকে অবলম্বন করে ভেটেনারি বিভাগকেই সংকুচিত করে ফেলা হয়েছে, জনসেবার গুরুত্ব অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়ে।

লেখক : মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত