প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক বিক্রির অনুমোদন ট্রাম্পের

রাশিদ রিয়াজ : প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরাবরই বলে আসছেন, মার্কিন কোনো কোম্পানি যদি টিকটক কেনে তাহলে তার দাম থেকে সরকারের পার্সেন্টেজ পাওয়া উচিৎ। টিকটকের দাম থেকে বড় অঙ্কের পার্সেন্টেজ পাওয়া উচিৎ। কারণ আমরাই তা সম্ভব করেছি। এটি বিক্রি হতে পারে আমি ছাড়া কেউ ভাবতে পারেনি। এ কারণে আমি মনে করি পার্সেন্টেজ পাওয়া বৈধ। সিএনএন/ব্লুমবার্গ

ওরাকল ও ওয়ালমার্টের কাছে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা অ্যাপ কোম্পানির অংশীদারিত্ব বিক্রির অনুমোদন দেয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান ওই দুটি মার্কিন কোম্পানি তরুণদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত ইতিহাস শিক্ষা দেয়ার জন্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠন করতে সম্মত হয়েছে।টিকটকের সাড়ে ১২ শতাংশ ওরাকল ও ওয়ালমার্ট পাবে সাড়ে ৭ শতাংশ অংশীদারিত্ব। ট্রাম্প বলেন যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক ২৫ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বলছে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের বার্কি ৮০ শতাংশ মালিকানা থাকছে বাইটড্যান্সের। এরমধ্যে ৪০ শতাংশের মালিকানা থাকছে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের।

বেইজিং বলছে তারা বাইটড্যান্সকে টিকটকের ব্যবহৃত অ্যালগরিদম বিক্রিতে অনুমোদন দেবে না। টিকটকের মালিক হওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের উপায়কে চুরি আখ্যা দিয়েছে চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বলা হচ্ছে, চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের চুরি মেনে নেবে না চীন। চীনা মালিকানাধীন টিকটিকের ওপর ওয়াশিংটনের অব্যাহত চাপ মোকাবিলার জন্য বেইজিংয়ের কাছে অনেক উপায় রয়েছে বলেও হুমকি দেয়া হয়। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের কাছে টিকটক বিক্রির জন্য বাইটড্যান্সের উপর চাপ প্রয়োগ করছে। বিক্রিতে রাজি না হলে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক বন্ধের হুমকিও দেয়া হয়েছে। এ ধরনের আচরণ ধংসাত্মক এবং গভীর উদ্বেগের।

বেইজিং সম্ভবত চীনের মার্কিন কোম্পানির উপর সমপরিমাণ বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে ‘সচেতন’ হবে। তবে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রচুর উপায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মার্কিন কোম্পানি ওরাকল একই সঙ্গে টিকটকের উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ব্যবসা কিনে নেয়ার চেষ্টা করছে। বিশ্ব্যাপী টিকটকের ১শ’ কোটির বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। অ্যাপটি স্মার্টফোনে ব্যবহার করে ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ক্ষুদ্র ভিডিও তৈরি করা যায়। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন অভিযোগ করেন, টিকটকের উপর অতিমাত্রায় চাপ প্রয়োগ করে, অ্যাপটি বিক্রির চুক্তি থেকে আর্থিকভাবে ফায়দা নিতে চাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্প প্রশাসন যা করছে তা বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার বাজারনীতির লঙ্ঘন। যা অসচ্ছ এবং বৈষম্য। এটাকে সরাসরি একটা প্রতিষ্ঠানকে ধমকানো। বাধ্য করা তার পণ্য বিক্রি করা জন্য। ওয়াশিংটন এ ধরণের আচরণ অব্যাহত রাখলে বেইজিং পাল্টা ব্যবস্থা নেবে বলেও জানায় শি জিনপিং প্রশাসন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত