প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুনশি জাকির হোসেন: বঙ্গীয় গণতন্ত্রের ময়না তদন্ত

মুনশি জাকির হোসেন: আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক সরকার, এই বক্তব্যের পক্ষে অনেক যুক্তি, তথ্য, প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। গণতান্ত্রিক সরকার শুধু ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ করা হয় না, বরং একটি দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, বাৎসরিক ক্যালেন্ডারে জনগণের মতের প্রতিফলন কতোটা প্রতিপালন করছে সেটিই বড় সূচক। গত ১২ বছরের আওয়ামী সরকারে জনআকাক্সক্ষার প্রতিপালন অতীতের যেকোনো সরকারের থেকে বেশি দৃশ্যমান। এমনকি সরকার একাধিকবার নিজের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন করেছে। আড়িয়াল বিল থেকে সরকার পিছু হটেছে, ভ্যাট আন্দোলন, মাতারবাড়ি, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার, এরকম অনেক ইস্যু আছে যেখানে সরকার অনেকটা নমনীয় ছিল! এমনকি রামপাল বিষয়েও সরকার অনেকটা সংস্কার করে ব্যাকফুটে চলে আসছে।

আওয়ামী লিগ গণতান্ত্রিক না, আওয়ামী লীগ অগণতান্ত্রিক, আওয়ামী লীগ স্বৈরচার, এই মতবাদের পক্ষে দুই পক্ষ আছে। প্রথম পক্ষ বিএনপি/জামায়াত। যাদের গণতান্ত্রিক স্পেস পাবার প্রাথমিক যোগ্যতা নেই। তারা নিজেরাই তো ফ্যাসিবাদের ঊর্বর ভূমি। সেটির প্রমাণ ২১ আগস্ট। ২০০১-০৬ সালের নারকীয় অধ্যায়। সুতারং এরা গণতন্ত্র নিয়ে কী বললো, কী না বললো সেটি অবান্তর।

আরেক পক্ষ আছে বাম। বাম পক্ষ কীভাবে গণতান্ত্রিক ডিসকোর্স নিয়ে কথা বলে। এরা ক্ষমতায় গেলে কি গণতান্ত্রিক পরিবেশ এরা দিতে পারবে? নাকি এরা আরেক বাঁচানার, মুসোলিন হয়ে উঠবে। আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক। এই ধারণাকে সবচেয়ে বিতর্কিত করছে বর্তমানের কতিপয় মন্ত্রী, এমপি এবং অন্যান্য কিছু লোক। যারা সামান্যতম সমালোচনার পরিবর্তে হামলা, মামলা, পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সরকারি ম্যাকানিজমকে কাজে লাগিয়ে সরকারে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। দিন শেষে বদনাম হচ্ছে, আওয়ামী লীগের। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত