প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাঞ্জাবে ভারত-পাক সীমান্তে প্রচুর গোলাবারুদ, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক: শনিবার ভোরে বিএসএফের তল্লাশির সময় প্রচুর পরিমাণ গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার অবোহর সেক্টর থেকে এগুলি উদ্ধার হয়েছে। দাবিদারহীন অবস্থায় পড়ে থাকা একটি ব্যাগ থেকে এগুলি উদ্ধার হয়। এই সময়

ভারত-পাক সীমান্তের কাছে পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার অবোহর সেক্টর থেকে শনিবার প্রচুর পরিমাণ গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)। বিএসএফের ১২৪ ব্যাটালিয়ন এগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে। বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, ৬ রাউন্ড ম্যাগাজিন, ৯১ রাউন্ড ৭.৬২ এমএম গুলি, দু’টি এম-১৬ রাইফেল, চারটি এম-১৬ রাইফেল ম্যাগাজিন, ৫৭ রাউন্ড ৫.৫৬ এমএম গুলি, দু’টি মেড-ইন চায়না পিস্তল, চারটে পিস্তল ম্যাগাজিন ও ২০ রাউন্ড ৭.৬৩ এমএম গুলি।

একে-৪৭, এম-১৬ রাইফেল-সহ বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র একটি ব্যাগের মধ্যে ছিল। ভোরে টহলদারির সময়, ৭টা নাগাদ সীমান্ত লাগোয়া জমিতে দাবিদারহীন অবস্থায় পড়ে থাকা ব্যাগটি বিএসএফের নজরে পড়ে।

পাঞ্জাবের অবোহর সেক্টর থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের বিশদ তালিকা শনিবার ট্যুইটারে শেয়ার করেছে বিএসএফ। ট্যুইটার বার্তায় বিএসএফ বলে, তাদের সতর্ক বাহিনী আরও একবার রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বিফল করে দিয়েছে। বিএসএফ কর্মকর্তাদের দাবি, পাকিস্তান থেকে ওই আগ্নেয়াস্ত্র পাঞ্জাবে ঢুকেছে অবোহর সেক্টর দিয়ে।

চলতি বছর এখনও পর্যন্ত পাঞ্জাব ফ্রন্টিয়ারের বিএসএফ ৩৯৪.৭৪২ কেজি হেরোইন বাজেয়াপ্ত করেছে। অবৈধ ভাবে ভারতীয় সীমান্ত পেরোতে গিয়ে বিএসএফের হাতে ধরা পড়েছে ৭৭ জন। এর মধ্যে ১০ জন পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। শনিবার হিসেবে ধরে ৩২ ধরনের অস্ত্র, ৫৭ ধরনের ম্যাগাজিন, বিভিন্ন ক্যালিবারের ৬৫০ রাউন্ড গুলি, ৬ পাকিস্তানি মোবাইল ফোন এবং ১০টি পাকিস্তানি সিম কার্ড বাজেয়াপ্ত করেছে বিএসএফ।

এদিকে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ শনিবার দাবি করে, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-উল-মুজাহিদিনের দুই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারকে তারা গ্রেফতার করেছে। পুঞ্চ জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ গোলাবরুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের দাবি, সীমান্ত জেলায় বড় ধরনের নাশকতা চালানোর উদ্দেশ্য ছিল। তাই এই বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ মজুদ করা হয়েছিল। একটি গোপন আস্তানা থেকে সেগুলি উদ্ধার হয়। ধৃতদের জেরা করেই পুলিশ আইইডি বিস্ফোরণের পরিকল্পনার কথা জানতে পারে। তাদের জেরা করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে ওই আগ্নেয়াস্ত্র এসেছে। পুলিশ তেহরিকের দুই ওভারগ্রাউন্ড কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। জঙ্গি তত্‍‌পরতার অভিযোগে ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

সর্বাধিক পঠিত