প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে গণমানুষের বেসরকারি হাসপাতাল

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে স্বাস্থ্যসেবায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ছে দিন দিন। যদিও সেখানে চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় স্বল্প খরচে সেবা পেতে নিম্নবিত্তের মূল ভরসা এখনো সরকারি হাসপাতাল। তবে বেসরকারি হাসপাতাল মানেই অনেক ব্যয়, এ ধারণা ভেঙে দিয়ে স্বল্পমূল্যে মানসম্মত সেবা প্রদান করছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। বেসরকারি খাতের এ হাসপাতালগুলোর অধিকাংশই কোনো ট্রাস্ট বা ফাউন্ডেশনের দ্বারা পরিচালিত। এরই মধ্যে গণমানুষের হাসপাতাল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে অলাভজনক এসব প্রতিষ্ঠান।

স্বল্প খরচে রোগীদের প্রায় সব ধরনের সেবা দিয়ে আসছে এমন বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল, আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশন পরিচালিত আদ্-দ্বীন হাসপাতাল, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট পরিচালিত কমিউনিটি হাসপাতাল, ইস্পাহানি গ্রুপ পরিচালিত ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, সাজেদা ফাউন্ডেশন পরিচালিত সাজেদা হাসপাতাল ও সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি)।

গণমানুষের বেসরকারি হাসপাতাল হিসেবে সবার আগে আসে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের নাম। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্বাধীনতার পর থেকেই জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্যসেবার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ব্যক্তিমালিকানাধীন নয়, এটি একটি জনহিতকর ট্রাস্ট। বর্তমানে সারা দেশে গণস্বাস্থ্যের ৩১টি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে কল্যাণমূলক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ছয়টি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু আছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের রয়েছে সুবিশাল ডায়ালাইসিস সেন্টার, যেখানে ১১০০ টাকায় ডায়ালাইসিস করা যায়। চলমান আছে বাংলাদেশের বৃহত্তম অঙ্গ প্রতিস্থাপন কেন্দ্র (ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার)। এখানে প্রথমে কিডনি প্রতিস্থাপন কেন্দ্র করা হবে। পরবর্তীকালে যকৃৎ (লিভার), ফুসফুস (লাং) ও হূিপণ্ড প্রতিস্থাপন করা হবে। স্বাস্থ্যবীমা চালুর মাধ্যমে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জন্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল।

মুক্তিযুদ্ধের সময় অস্থায়ী (মুজিবনগর) বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই হাসপাতালটিই রাজধানী ঢাকার ইস্কাটনে বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল হিসেবে পুনঃস্থাপিত হয়। এরপর ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু রূপে গড়ে তোলার জন্য ‘চল গ্রামে যাই’ স্লোগান ও উদ্দেশ্য নিয়ে হাসপাতালটি সাভারে স্থানান্তরিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার কর্তৃক বরাদ্দ দেয়া ২৯ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় গণস্বাস্থ্যের হাসপাতাল। বঙ্গবন্ধুর পরামর্শ ও নির্দেশনায় এ হাসপাতালের নামকরণ করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (জিকে)। এরপর এ হাসপাতাল বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনুদানপ্রাপ্ত হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা স্বাধীনতা-পরবর্তীকাল থেকে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে আমাদের ট্রাস্টে অর্থ অনুদান কমেছে। খেটে-খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রতিশ্রুতিশীল এ প্রতিষ্ঠান তাই আজ নানান প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন। এর পরও আমরা থেমে নেই। আমাদের কাজের ব্যাপ্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি। এতে শুধু গণস্বাস্থ্যের মতো একটি প্রতিষ্ঠান টিকে থাকবে তা নয়, সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও কমবে। আমাদের তো সব ধরনের লাইসেন্স আছে, আমরা নিয়ম-নীতি মেনেই প্রতিষ্ঠান চালাতে চাই, সেখানে কোনো পক্ষ থেকে বিমাতাসুলভ আচরণ কাম্য নয়।

দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি শিল্প পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল। ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত এ হাসপাতালটি এখন কম খরচে প্রসূতিসেবার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। ২০০৮ সাল থেকে এখানে মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বর্তমানে এ হাসপাতালটির নাম আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে পরিচিতি লাভ করে।

একসময় ‘সেভ দ্য চিলড্রেন টক’ কর্তৃক পরিচালিত ৬০ শয্যাবিশিষ্ট একটি ‘শিশু পুষ্টি কেন্দ্র’ থেকে এ হাসপাতালের যাত্রা শুরু। ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ কর্তৃপক্ষ ১৯৯৭ সালে তাদের কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বভার ন্যস্ত করে আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের ওপর। প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্বিভাগে মহিলা ও শিশুদের সাধারণ চিকিৎসা। এবং অন্তর্বিভাগে শুধু অপুষ্টি শিশুসেবা কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরে ১৯৯৭ সালের ১ নভেম্বর আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ ‘শিশু পুষ্টি কেন্দ্র’ নাম পরিবর্তন করে ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল’ নামে কার্যক্রম শুরু করে। রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি এবং সেবার পরিধি বাড়ার ফলে হাসপাতালে বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের ব্যাপক সম্প্রসারণ করা হয়।

সারা দেশে আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশন কর্তৃক আটটি হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে, যার অন্যতম ঢাকার মগবাজারের এ হাসপাতাল। এছাড়া রয়েছে জুরাইন, পোস্তগোলায় আদ্-দ্বীন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক হাসপাতাল, কেরানীগঞ্জে বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, যশোরে আদ্-দ্বীন সকিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, আদ্-দ্বীন শিশু হাসপাতাল ও আদ্-দ্বীন চক্ষু হাসপাতাল, খুলনায় আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং কুষ্টিয়ায় আদ্-দ্বীন হাসপাতাল। এসব হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। চালু রয়েছে গর্ভবতী সেবা, শিশু বিভাগ, টিকাদান কেন্দ্র, মেডিসিন বিভাগ, দন্ত বিভাগ, অর্থোপেডিক, সার্জারি, প্যাথলজি, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, আইসিইউ, এনআইসিইউসহ সব বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম। ঢাকার হাসপাতালটিতে ঘুরে দেখা গেছে, নিম্নবিত্ত থেকে সব শ্রেণীর মানুষই সেখানে সেবা নিতে যায়।

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের সব হাসপাতালের দেখভালের দায়িত্বে আছেন ডা. নাহিদ ইয়াসমিন। প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিশেষজ্ঞ এ চিকিৎসক বলেন, স্বল্প খরচে মানসম্মত সেবা প্রদানের জন্য আমরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমাদের এখানে খুবই অল্প খরচে প্রসূতিদের সেবা দেয়া হয়। সিজারিয়ানের জন্যও সব খরচ মিলিয়ে সেটা ১০ হাজারের বেশি নয়। তবে এর বাইরে আনুষঙ্গিক কিছু খরচ তাদের বহন করতে হয়। আমরা চেষ্টা করছি সেবার মান ধরে রেখে এটার পরিসর বাড়াতে।

তিনি জানান, আদ্-দ্বীন এ হাসপাতালের পাশেই একটি স্থানে আরেকটি হাসপাতাল করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সেবা প্রদান করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশন। এছাড়া আদ্-দ্বীন শহরের সবচেয়ে কম খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বহরে আছে ৮০টি অ্যাম্বুলেন্স।

রাজধানীতে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট পরিচালিত কমিউনিটি হাসপাতালেও দেয়া হয় স্বল্প খরচে উন্নত সেবা। ঢাকার মালিবাগ চৌধুরী পাড়ায় ২০ শয্যার এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে। মগবাজারে ৫০০ বেডের আধুনিক চিকিৎসার বিশাল হাসপাতাল এটি। হাসপাতালটি বাংলাদেশে আর্সেনিক অনুসন্ধান, গবেষণা ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করে আসছে। হাসপাতালটি গ্রাম ও শহরে কমিউনিটি-ভিত্তিক চিকিৎসা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল বাংলাদেশের ৩০টি লোকেশনে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এসব কেন্দ্রে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

অন্ধত্ব দূর করাসহ চোখের সব চিকিৎসায় ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। ইস্পাহানি গ্রুপ পরিচালিত অলাভজনক ও আর্তমানবতার কল্যাণের উদ্দেশ্যে সমাজসেবী ও ইস্পাহানি গ্রুপের কর্ণধার এমএ ইস্পাহানি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত এ হাসপাতাল এখন চোখের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

হাসপাতালটিতে সাধারণ নিম্নবিত্তের জন্য মাত্র ৫০ টাকায় মেলে বহির্বিভাগের সেবা। আলাদা করে বিশেষায়িত সেবা নিতে পরিশোধ করতে হয় ৬০০ টাকা। অনেক ক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠান বিনা মূল্যে চোখের অপারেশনের ব্যবস্থা করে বলেও জানান কর্মকর্তারা।

হাসপাতালটিতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত আউটডোরে এবং হাসপাতালের কার্যক্রম চলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন এখানে দুই হাজারের বেশি রোগী সেবা নেয়। তাদের চিকিৎসাসেবা দিতে এ হাসপাতালে কর্মরত আছেন প্রায় এক হাজার ডাক্তার, নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী। এর মধ্যে ডাক্তার আছেন ১২০ জন, নার্স ২৫০ জন। শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া বাকি সব দিনই খোলা থাকে। নিতান্ত গরিব ও অসহায় রোগীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটির সমাজসেবা বিভাগ সহায়তা করে। আবেদন ও সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা, নগদ টাকা, খাদ্য, বস্ত্র, যাতায়াত খরচ, অপারেশন খরচ দেয়ার ব্যবস্থাও করা হয়।

এ হাসপাতালের সার্বিক সেবা নিয়ে কথা হয় প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ডিরেক্টর (মেডিকেল সার্ভিস) ডা. কাজী সাজ্জাদ ইফতেখারের সঙ্গে। তিনি বলেন, কভিডকালেও আমরা সেবা দেয়া বন্ধ রাখিনি। এখন প্রতিদিন দেড় হাজারের মতো রোগীর সেবা দিতে হচ্ছে। এছাড়া শতাধিক অপারেশনের রোগীও আসছে। আমরা সাধ্যের মধ্যে কম খরচে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটাই ইস্পাহানি সাহেবের স্বপ্ন ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে স্বল্প খরচে ভালো মানের সেবা মেলে সাজেদা ফাউন্ডেশন পরিচালিত সাজেদা হাসপাতালে। ১০০ শয্যার এ হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টাই সেবা দেয়। প্রতিষ্ঠানটি গরিব রোগীদের জন্য নামমাত্র খরচে সেবা দেয়।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে সাভারের সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজডও (সিআরপি) উন্নত সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছে। সাভারে ছাড়াও মিরপুরে প্রতিষ্ঠানটির আরো একটি শাখা চালু আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, দেশের স্বাস্থ্য খাতের মোট ৬৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো এ সংগঠনের সদস্য। আবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০১৮ বুলেটিনের তথ্যমতে, দেশে নিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে ৫ হাজার ৫৪টি। আর ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে ৯ হাজার ৫২৯টি। বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় বেডসংখ্যা ৯০ হাজার ৫৮৭। স্বাভাবিক সময়ে এসব বেডের ৯০ শতাংশে রোগী ভর্তি থাকে। বেসরকারি খাতের এ বিশাল সংখ্যার হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হয় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে।

সূত্র : বণিক বার্তা

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত