প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আর্থিক সংকটে ৯৫ ভাগ ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ, প্রতিদিন শত কোটি টাকা ক্ষতি

লাইজুল ইসলাম: [২] করোনাভাইরাস চীন থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পরার পর থেকে ঘরবন্দি ভ্রমন পিপাসুরা। বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি ভ্রমন করতে পছন্দ করেন ভারত, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, মালোশিয়া ও সিঙ্গাপুর। এর বাইরে ইউরোপ, অ্যামেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণে গেলেও সেই পরিমাণ খুব বেশি না।

[৩] বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় ট্রাভেল এজেন্সির একটি ট্রিপসিলোর স্বত্ত¡াধিকারী বলেন, এপ্রিল থেকে আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত আমাদের কোনো আয় ছিলো না। এই সময়টাতে আমরা কর্মীদের ছাটাই করিনি। অফিস খোলার পর অর্ধেক কর্মীরা বাসায় বসে কাজ করেছে। তারা অর্ধেক বেতন পাচ্ছেন। বাকি অর্ধেক অফিসে আসছেন। আগে প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা সেল হতো। বর্তমানে ৫ লাখ টাকাও হচ্ছে না।

[৪] ট্যুর অপারেটরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ( টোয়াব) সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, এখন দোহা হয়ে ইউরোপ-আমেরিকা যাওয়া যাচ্ছে। তবে সেটাও খুব কম। আর খরচও অনেক বেশি। পার্শবর্তী দেশগুলো সব বন্ধ। সাড়ে তিন হাজারের বেশি ট্রাভেল এজেন্সি ও ট্যুর অপারেটর রয়েছে। যাদের মধ্যে ৫ শতাংশ খোলা আছে। বন্ধ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮০ ভাগ কর্মীরা বিনা বেতনে ছুটিতে।

[৬] এ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রাভেল এজেন্টস অফ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোরশেদ বলেন, এই ক্ষাতে ফাইভ, ফোর, থ্রি স্টার হোটেল, মোটেল, রিজোর্ট, ট্রাভেল অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি, লক্ষাধীক কর্মকর্তা-কর্মচারি সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। কত টাকা এই কয়েকমাসে ক্ষতি হয়েছে তার কোনো হিসেব নেই। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত