প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভবিষ্যত পরিবর্তনের কথা চিন্তা করে জনশুমারিতে আর্থ-সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিয়য়ে গুরুত্ব দিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১’ প্রকল্পের আওতায় ষষ্ঠ জনশুমারিতে এবার স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ষষ্ঠ ডিজিটাল জনশুমারি পরিচালিত করা হবে। এ পদ্ধতিতে দেশের একটি থানাও বাদ পড়বে না। এবারের জনশুমারি বড় পরিসরে হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক বিশাল পরিবর্তন এসেছে। আর্থ-সামজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো জনশুমারিতে উঠে আসবে বলে মন্তব্য করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার নগরীরর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মিলনায়তনে ‘পপুলেশন অ্যান্ড হাউজিং সেনশাস ২০২১’ প্রকল্পের ‘মূলশুমারির প্রশ্নপত্র বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এসব কথা বলেন তিনি। এসময় বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রকল্পের পিডি জাহিদুল হক সরদার।

সচিব বলেন, স্যাটেলাইট ইমেজ দেখে জনশুমারিতে সারাদেশে চার লাখ গণনাকারী তথ্য সংগ্রহ করবেন। শিক্ষিত বেকারদের জনশুমারি প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। ১০ বছর পরে দেশে আরও পরিবর্তন হবে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই জনশুমারি করতে হবে। জনশুমারিতে প্রশ্নপত্র তৈরিতে আর্থ-সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। আমার মনে হচ্ছে ২০১১ সালের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে বর্তমানের অনেক মিল রয়েছে। বর্তমান জনশুমারির প্রশ্নপত্রে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। জনশুমারি মানেই মাথা গুনা নয় এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়গুলো ও গৃহগণনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যুক্ত করতে হবে।

বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ১৯৭৪ সালের ২৬ আগস্ট বঙ্গবন্ধু চারটি সংস্থাকে একীভ‚ত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন দেশের উন্নয়নে সঠিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা চিন্তা করে সঠিক প্রণয়নে কাজ করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে এই শুমারি কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে।

বিবিএস অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) খলিল আহমেদ বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনশুমারি একটি পদক্ষেপ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনুষ্ঠিত জনশুমারির সঙ্গে আমাদের যথেষ্ঠ মিল রয়েছে। তবে জনশুমারিতে এনআইডি ও জন্ম তারিখ অন্তর্ভ‚ক্ত করতে হবে।
প্রকল্প পরিচালক জাহিদুল হক সরদার বলেন, ষষ্ঠ জনশুমারিতে কেউ বাদ যাবে না। প্রবাসী ও দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের গণনা করা হবে। একইসঙ্গে জনশুমারিতে স্মরণ করা হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০২১ এর মাঠ পর্যায়ে মূল শুমারির তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনার ৩৬৫ দিনের কাউন্ট ডাউন শুরু করা হয়।

তিনি বলেন, স্যাটেলাইট ইমেজ দেখে জনশুমারিতে সারাদেশে চার লাখ গণনাকারী তথ্য সংগ্রহ করবেন। শিক্ষিত বেকারদের জনশুমারি প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। এরআগে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের জনশুমারির কাজে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না। সাতদিনে চার কোটি খানায় (পরিবার) তথ্য সংগ্রহ করা হবে। একজন গণনাকারী ১০০টি খানার তথ্য সংগ্রহ করবেন। ফলে তারা এক সপ্তাহে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

সর্বাধিক পঠিত