প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জীবন নাশের শঙ্কায় ছাত্রলীগ নেতা রাব্বি

ইসমাঈল ইমু : [২] অব্যাহত হামলা-মামলা আর হয়রানির কারনে নিজের ও পরিবারের জীবন বিপর্যস্ত বলে অভিযোগ করেছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাকিল ইসলাম রাব্বি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য তরুণ এ ছাত্রলীগ নেতা নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে কুূচক্রি মহলের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবন রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

[৩] মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাব্বি বলেন, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত। তার রাজনৈতিক মেধাকে চিরতরে ধ্বংস করার জন্য একটি চক্র প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগশাজসে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা ও হামলা চালাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রাব্বির বাবা সেলিম রেজা, মা-মিসেস মাজেদা পারভীন ও বৃদ্ধা নানি সালেহা বেগম।

[৪] লিখিত বক্তব্যে রাব্বি বলেন, ঢাকার একটি থানায় ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবার পর থেকে তিনি নিয়মিত নিজ গ্রাম বরিশালের উজিরপুর থানার জল্লা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কারফা বাজারে প্রকাশ্যে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন জল্লা ইউপির চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু। তিনি ছিলেন দেশের বাইরে। অথচ উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামী লীগের এক নেতার ইশারায় রাব্বিকে নান্টু হত্যার আসামি করা হয়।

[৫] দেশে ফিরে আদালতে আত্ম্নসমর্পণের প্রস্তুতি নেয়ার মধ্যেই তিনি গ্রেপ্তার হন। ৭ মাস পর জামিনে মুক্তি পান। এরই মধ্যে শুরু হয় ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন। স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে তিনি উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ও ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল ইসলাম রতনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন। নৌকার পক্ষে কাজ করার পরেও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী সামিউল আলিম চৌধুরী তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন শেষে অস্ত্র মামলা দেয়। ৫ মাস পর মুক্তি পান।

[৬] আড়াই বছর পর গত কোরবানির সময় গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে নিহত চেয়ারম্যানের সমর্থকরা তার ওপর হামলা চালায়। অথচ পুলিশ রাব্বির মামলা না নিয়ে উল্টো তাকে আসামি করে অন্যদের মামলা নেয়। সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট নিজ গ্রামের বাড়িতে রাত ৩ টায় হঠাৎ ঘরের দরজায় জানালায় আঘাতের বিকট শব্দ শুরু হয়।

[৭] পরিবারের অন্যরা বিষয়টি মোবাইল ফোনে প্রতিবেশিদের জানান। মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর ভবনের বাইরে অবস্থানরত নিজেদের আইনের লোক বলে পরিচয় দেয়। রাব্বি দরজা খুলে দিলে প্রতিটি কক্ষ তল্লাশী করে র‌্যাব-৮ সদস্যরা। এর আগে রাব্বি ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান। পুলিশ যাবার পর র‌্যাব ফিরে যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত