প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জেলা প্রশাসকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা খারিজ

ডেস্ক রিপোর্ট: মাদারীপুরে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত ২ টি ফৌজদারী মামলায় কোন সাক্ষী, প্রমাণ না থাকায় রোববার বিকেলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসেন তা খারিজ করে দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের শিবচরে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনার জন্য স্থানীয় চৌধূরী আনিছউদ্দিন ওয়াকফ এষ্টেটের মাটি ভরাট করে উন্নয়ন কাজ করার জন্য চারটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি ভরাট কাজ চালাচ্ছিল। গত ২৮ আগস্ট ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার জন্য জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ ৬ জনের একটি দল অভিযান চালিয়ে ড্রেজার মেশিন পুড়িয়ে দেয়।

এরই প্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্থ দুই ঠিকাদার মাটি ভরাটের কাজে ব্যবহৃত চারটি ড্রেজার মেশিন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা ও আটটি অন্যান্য মেশিন ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করার অভিযোগ এনে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটির বাদী শিবচর উপজেলার ডাইয়ারচর গ্রামের মনির সরদার এবং সাদুল্লা বেপারীকান্দি গ্রামের সরোয়ার বেপারী।

১ সেপ্টেম্বর শুনানী শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে মামলার বাদী ৩ সেপ্টেম্বর তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই এর পরিবর্তে অন্য কোন সংস্থা বা জুডিসিয়াল তদন্তের জন্য আবদেন করেন। বিজ্ঞ আদালত বাদী পক্ষের সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার জুডিসিয়াল তদন্তের দিন ধার্য করেন।

মামলার আসামীরা হচ্ছেন- মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন বাচ্চু, শিবচরের সহকারী কমিশনার ভূমি মো. রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ হোসেন, সার্ভেয়ার মো. রাসেল হোসেন ও এম.এল.এসএস বাবুল মিয়া।

জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, অবৈধ ড্রেজার দিয়ে নদী ও অন্যান্য স্থান থেকে বালু উত্তোলন করায় নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। নদী ভাঙনের ফলে জেলার সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এ জন্য জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যারা অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। এই অভিযানের অংশ হিসাবে শিবচরে ২৮ আগস্ট একটি ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছি। সেই প্রেক্ষিতে আমাদের বিরুদ্ধে ১লা সেপ্টেম্বর একটি মামলা হয়। যেহেতু মামলাটি বিধি মোতাবেক হয় না, তাই বিজ্ঞ আদালত মামলা দুটি খারিজ করে দিয়েছেন। সূত্র : দেশ রূপান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত