প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রবিউল আলম: দোষীদের শাস্তি দিন, নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়

রবিউল আলম: যেখানেই অপকর্ম, সেখানেই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্ধানে সংবাদমাধ্যম, হেডলাইনে থাকতেই হবে। ইউএনও ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার নিন্দার ভাষা আমার কাছে নেই। বিচার হবে কঠোরভাবে, আমরাও চাই সমাজকে রক্ষা করতে, চাইলে বিচারের বিকল্প নেই। আইনের ঊর্ধ্বে আমরা কেউ না। বিচারের নামে সরকারের আন্তরিকতা অভাব এ পর্যন্ত পরিলক্ষিত হয়নি। বরগুনার রিফাত, বুয়েটের আবরার, ফেনীর নুসরাত, মেজর সিনহা-সহ একাদিক চাঞ্চল্যকর মামলা গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই এগিয়ে চলেছে। ক্যাসিনো, করোনা, পাপিয়া, সাবরিনা, সাহেদদের অপকর্ম নিয়ে সরকারের কোনো সহায়নুভূতি নেই। ইতিপূর্বের সরকার গুলোর ইতিহাস আমাদের সবার জানা।

আমি আর নতুন করে আলোচনায় আনতে চাই না। ওয়াহিদার উপর হামলাকে নিয়ে সংবাদ করার আগে একটু ধৈর্য ধারণের প্রয়োজন ছিলো, অপেক্ষা করলেই যুবলীগকে এড়ানো যেতো। অনেক পত্রিকার রিপোর্ট ও রিপোর্টে হেডলাইন দেখলে মনে হয় লীগ পরিবারকে পারলে হাওলাদ করে এনে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিতো। র‌্যাবের তদন্ত শেষ হয়নি। এখনো রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীরকে সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, ছেড়েও দেওয়া হয়েছে। চুরির উদ্যেশে রং মিস্ত্রী ও সহকারীরা এই অপকর্ম করলেও কোনো কোনো পত্রিকায় নিউজের হেডলাইন করা হলো যুবলীগকে নিয়ে। ইতোমধ্যে বহিস্কৃত হলো জাহাঙ্গীর, দলও অপেক্ষা করলো না। ষড়যন্ত্রের শিকারের জন্য প্রমাণের প্রয়োজন নেই। আওয়ামী লীগ পরিবারের জন্য ষড়যন্ত্র কতোপ্রকার হতে পারে এই নজির পূর্বেও অনেক হয়েছে। দোষী আওয়ামী লীগারদের শেখ হাসিনা ক্ষমা করেন না, আমি আশা করবো একজন নিরপরাধ যেন অপবাদের শিকার না হন। একজন প্রকৃত মুজিব সৈনিক হতে অনেক সময় লাগে, একনিমিষে শেষ করে দেবেন না।

লেখক: মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত