প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১০ কোটি টাকার লোকসান, ফতুর হয়ে গেছি : ডা. জাফরুল্লাহ

শিমুল মাহমুদ: [২] দেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অ্যান্টিবডি কিট অনুমোদন না পাওয়ায় আক্ষেপ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, এত বড় ঘটনাটা নিয়ে একবারও প্রধানমন্ত্রী ডেকে জিজ্ঞেস করলেন না! অ্যান্টিবডি অনুমোদন দিলে বাংলাদেশের অনেক সুনাম হতো। বিশ্বের অনেক দেশ আগ্রহ দেখিয়েছিল এই অ্যান্টিবডি নেওয়ার।

[৩] তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলো প্রথমে ডেকেছিল টাকা দেওয়ার জন্য, কিন্তু এখন আর কেউ টাকা দিতে চায় না।

[৪] গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ বলেছেন, লাইসেন্সের জন্য যেভাবে দৌড়াতে হয়, ঘাটে ঘাটে পয়সা দিতে হয়, তা চাঁদাবাজি ছাড়া কিছুই নয়। সরকার যে ফি নির্ধারণ করেছে, সেটাও ডোনেশনের (অনুদান) মতো। এত টাকা বড় ব্যবসায়ী ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।

[৫] তিনি বলেন, কত পারমিশন নেবো। হাসপাতাল করার সময় লাইসেন্স করেছি। প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা দিয়েছি। যদি প্রতিটা ল্যাবের জন্য আলাদা পারমিশন নিতে হয়, যন্ত্র আনতে পারমিশন নিতে হয়, সেটা স্রেফ চাঁদাবাজি ছাড়া কিছু নয়। প্রতিটা বিষয়ের জন্য আলাদা লাইসেন্স নিতে হবে কেন?

[৬] ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, তাদের এসে দেখা উচিত কাজটা ঠিকমতো হচ্ছে কি না, মেশিন ঠিক আছে কি না; কিন্তু সেটা তারা দেখছে না। তাদের উচিত দাম ঠিক করে দেওয়া। তারা সেটা করছেন না। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত