শিরোনাম
◈ ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব কমছে, বাড়ছে ভারতের উপস্থিতি ◈ সব সূচকে রেকর্ড, জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরেছে চট্টগ্রাম বন্দর ◈ জাপানের সঙ্গে গভীর হচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা ◈ বাংলাদেশি কার্গোর বাজার ধরতে সমুদ্র বন্দরের ৪৯ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করছে আদানি ◈ হৃদয়কে অধিনায়ক, জিম্বাবু‌য়ের বিরু‌দ্ধে ১৫ জ‌নের বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ বিশ্বকা‌পে ব্যর্থতার দায় স্বীকার ক‌রে নেদারল্যান্ডসের কোচের পদ থেকে ইস্তফা কোম্যানের, নতুন কোচ হ‌তে পা‌রেন আর্নে স্লট ◈ রাজধানী ঘিরে সড়ক ও নৌপথে নতুন পরিকল্পনা, অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলা‌দে‌শের স‌ঙ্গে চীনের লাইফলাইন কানেকশন, ভারতের চাণক্য বুমেরাং, ইস্ট লুকে আশা সাইবারে হতাশ ◈ এমবাপের বিশ্বরেকর্ড, ফ্রান্সের যত কীর্তি ◈ অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি, থাকছে বডি ওর্ন ক্যামেরা ও লাইভ নজরদারি

প্রকাশিত : ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫৭ সকাল
আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘ ছাড়ার চিন্তা সরকারের

ডেস্ক রিপোর্ট : পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জঙ্গলে নতুন করে বাঘ ছাড়ার চিন্তা করছে সরকার। ইতোমধ্যেই ওই অঞ্চলে বাঘ ছাড়া যায় কিনা এবং সেখানে বাঘের পুনঃপ্রবর্তন করা হলে এগুলো টিকে থাকতে পারবে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন করে বাঘ ছাড়ার আগে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ওই বনে বাঘের থাকার উপযোগী পরিবেশ ও খাদ্য আছে কিনা এবং একই সঙ্গে সেখানে বাঘের জন্য কোনো হুমকি আছে কিনা- তা সমীক্ষা করে দেখা হবে।

বন কর্মকর্তা বলেন, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে এই সমীক্ষা চালানো হবে। তারা ট্র্যাকিং করে দেখবে পার্বত্য অঞ্চলে ইতোমধ্যেই বাঘের উপস্থিতি আছে কিনা। না থাকলেও তাদের আবাসস্থল ও খাদ্যের পরিবেশ আছে কিনা। একইসঙ্গে দেখা হবে বাঘ সেখানে ছাড়লে তারা টিকবে কিনা, সারভাইভ করবে কিনা।

এখন শুধু সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থল রয়েছে। যদিও এক সময় বেশিরভাগ অঞ্চলে বাঘের পদচারণা ছিল। সর্বশেষ বাঘ শুমারীর তথ্যানুযায়ী, শিকারীদের হাতে ব্যাপক সংখ্যায় বাঘ মারা পড়ার পর সুন্দরবনে মাত্র শ'খানেক বাঘ টিকে আছে।

প্রধান বন সংরক্ষক জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাঘ নিয়ে যে ফিজিবিলিটি স্টাডিজ চালানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, সেটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই অনুমোদন করেছে এবং খুব শিগগিরই বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেয়া হবে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে সমীক্ষাটি শেষ করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই অঞ্চলে বাঘের সম্ভাব্য যে উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো ভারত বা মিয়ানমার থেকেও আসতে পারে বলে মনে করেন আমীর হোসাইন চৌধুরী। সে কারণেই ওখানে বাঘের রিইনট্রোডাকশন করা যায় কিনা, সেই চিন্তা থেকেই সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।যুগান্তর

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়