শিরোনাম
◈ তাহসিফের মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড়, ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর ◈ হাতিয়ায় হত্যা মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ছিনিয়ে নিলেন স্বজনেরা ◈ ৮ ঘণ্টার বৈঠকেও সিদ্ধান্ত হয়নি, এমপি আব্দুল আজিজের বিষয়ে কেন্দ্রে যাচ্ছে নাটোর বিএনপির সুপারিশ ◈ বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ কর্মী নেবে জাপান, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো খবরের সত্যতা নেই: টোকিও ◈ বিগ-বি নিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনায় তৃতীয় কোনো দেশ ছিল না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ বিষাক্ত ইনজেকশনের মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন সেই নারী ◈ সৌদিগামী ও ফেরত ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২২ হাজার ৭২১ যাত্রী ◈ ৯ দিন পর ১২ ঘণ্টার জন্য শিথিল হচ্ছে সাজেক সড়কের অবরোধ ◈ ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহারের ব্যাখ্যা দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ◈ অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অ‌ভি‌যো‌গে খুলনা রেঞ্জে একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

প্রকাশিত : ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫৭ সকাল
আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঘ ছাড়ার চিন্তা সরকারের

ডেস্ক রিপোর্ট : পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জঙ্গলে নতুন করে বাঘ ছাড়ার চিন্তা করছে সরকার। ইতোমধ্যেই ওই অঞ্চলে বাঘ ছাড়া যায় কিনা এবং সেখানে বাঘের পুনঃপ্রবর্তন করা হলে এগুলো টিকে থাকতে পারবে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে একটি সমীক্ষার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন করে বাঘ ছাড়ার আগে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ওই বনে বাঘের থাকার উপযোগী পরিবেশ ও খাদ্য আছে কিনা এবং একই সঙ্গে সেখানে বাঘের জন্য কোনো হুমকি আছে কিনা- তা সমীক্ষা করে দেখা হবে।

বন কর্মকর্তা বলেন, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে এই সমীক্ষা চালানো হবে। তারা ট্র্যাকিং করে দেখবে পার্বত্য অঞ্চলে ইতোমধ্যেই বাঘের উপস্থিতি আছে কিনা। না থাকলেও তাদের আবাসস্থল ও খাদ্যের পরিবেশ আছে কিনা। একইসঙ্গে দেখা হবে বাঘ সেখানে ছাড়লে তারা টিকবে কিনা, সারভাইভ করবে কিনা।

এখন শুধু সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থল রয়েছে। যদিও এক সময় বেশিরভাগ অঞ্চলে বাঘের পদচারণা ছিল। সর্বশেষ বাঘ শুমারীর তথ্যানুযায়ী, শিকারীদের হাতে ব্যাপক সংখ্যায় বাঘ মারা পড়ার পর সুন্দরবনে মাত্র শ'খানেক বাঘ টিকে আছে।

প্রধান বন সংরক্ষক জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাঘ নিয়ে যে ফিজিবিলিটি স্টাডিজ চালানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, সেটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই অনুমোদন করেছে এবং খুব শিগগিরই বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেয়া হবে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে সমীক্ষাটি শেষ করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই অঞ্চলে বাঘের সম্ভাব্য যে উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো ভারত বা মিয়ানমার থেকেও আসতে পারে বলে মনে করেন আমীর হোসাইন চৌধুরী। সে কারণেই ওখানে বাঘের রিইনট্রোডাকশন করা যায় কিনা, সেই চিন্তা থেকেই সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।যুগান্তর

 

  • সর্বশেষ