প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পুঠিয়া পৌরসভা নির্বাচন : তারুণ্যের হাতে আধুনিক সেবার হাতছানি

এইচ এম শাহনেওয়াজ : [২] নিয়ম অনুসারে রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার ভোট গ্রহণের বাকি মাত্র মাস দুয়েক। ইতোমধ্যে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সম্ভাব্য এক ডজন মেয়র পদপ্রার্থীরা। তবে জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে নেই ক্লিন ইমেজের নবাগত তরুন দু’জন সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী। একজন সাবেক জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাংবাদিক সৌরভ হাবিব ও অপরজন বর্তমান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান অরফে হাবিব খান। সচেতন পৌরবাসীরা আশা করছেন, আশ্বাসের ফুলঝুড়ি নয়, এই তারুণ্যের হাতে দ্বায়িত্ব অর্পিত হলে জরাজীর্ন পৌরসভায় অত্যাধুনিক মানের ছোঁয়া আসবে।

[৩] আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে বর্তমান ক্ষমতাসিন দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় এক ডজন সম্ভাব্য মেয়র পদ প্রার্থীরা দলীয় সমর্থন পেতে ও ভোটারদের খোঁজ খবর নিতে মাঠে নেমেছেন। এদের মধ্যে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীরা নাগরিকদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেড়াচ্ছেন। আবার কেউ সবুজ সংকেতের আশায় দলীয় হাইকমান্ডে ছোটাছুটি শুরু করেছেন। তবে এদের চেয়ে বিপরীত তৎপরতায় আছেন সাংবাদিক সৌরভ হাবিব ও ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান। তারা প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি নীরবে অসহায় মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে সার্বক্ষনিক সার্বিক সহযোগিতা করছেন। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে তাদের দু’জনকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

[৪] পৌরবাসীরা বলেন, ২০০১ সালে এই পৌরসভা গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন আইনী জটিলতা কাটিয়ে ২০১৫ সালে প্রথম বারের মতো এখানে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ভোটের প্রায় দেড় বছর পর আইনী প্রক্রিয়ায় মেয়র বদল হয়। তবে পৌরসভা গঠন থেকে প্রায় ১৯ বছর অতিবাহিত হলেও এলাকাবাসীরা নূন্যতম নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। এমনকি পৌরসভা নিজেস্ব কোনো ঠিকানায় পৌঁছাতে পারেনি। দ্বায়িত্ব প্রাপ্তরা শুধু রুটিন মাফিক দায়সারা কাজ করছেন। যা পৌরবাসীদের মান উন্নয়নে কোনো কাজে আসছে না। তাই আগামী নির্বাচনে আধুনিক মানের নাগরিক সেবা প্রদান করতে সুশিক্ষিত ও ক্লিন ইমেজের মেয়র হতে হবে।

[৫] তারা আরো বলেন, ভোটের সময় প্রার্থীরা জন কল্যাণের নামে লম্বা একটি তালিকার নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করেন। ভোট শেষ তাদের ওয়াদা শেষ। এ পর্যন্ত কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে তা পৌরসভা এলাকা ঘুরে দেখলে সকলের নজরে আসবে। ব্যাপক অনিয়মের কারণে বর্তমানে পৌরসভা এলাকায় রাস্তা-ঘাটের যা কাজ হচ্ছে তা অতিনিন্মমানের। ছয় মাস না যেতেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। নির্বাচনী ইস্তেহারে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সার্বক্ষনিক ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা, জনদূর্ভোগ এড়াতে সকাল রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, সুপেয় পানি সরবরাহ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণ, সকল এলাকায় সড়ক বাতি স্থাপন, খেলার মাঠ উন্নয়ন, বিনোদনের জন্য উদ্যান তৈরির ওয়াদা করা হয়। যা বর্তমানে প্রতিশ্রুতি ছাড়া বাস্তবায়নের কোনো নমুনা নেই।

[৬] সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী সৌরভ হাবিব বলেন, জন সেবায় আত্মনিয়োগ করলেই যে জনপ্রতিনিধি হতে হবে তা আমি মনে করি না। আমি আ’লীগ পরিবারের সন্তান। নিজেও ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম। আমি মনে করি শুধু দলের দ্বায়িত্ব পালন করলেই হবে না, পাশাপাশি অসহায় মানুষের সেবায় কাজ করতে হবে। তাই আমি অসহায়দের পাশে থেকে সব সময় কাজ করে আসছি। গত ১৯ বছরে পৌরবাসী নিয়মিত কর দিয়ে কি সুবিধা পেলো তা সকলেই জানেন। আর দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন তাহলে নির্বাচিত হতে পারলে আমি নাগরিকদের আধুনিক সেবায় সার্বক্ষনিক কাজ করে যাব।

[৭] অপর সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, পৌরসভাটি জন্মলগ্ন থেকেই জরাজীর্ন অবস্থায় রয়েছে। এর কোনো নিজস্ব ভবন আজো গড়ে ওঠেনি। পাশাপাশি নাগরিকদের সেবার মানও অতিনিন্মমানের। দল ও জনগন চাইলে আমি নির্বাচিত হয়ে পৌরসভাকে একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলবো। সম্পাদনা : হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত