প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি প্রথম বাঙালি, যিনি ঐতিহাসিক রাইসিনা হিলের বাসিন্দা ছিলেন

জেরিন আহমেদ: [২] পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি শিক্ষকতা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রণবকে ভারতীয় রাজনীতির ‘চাণক্য’ বলা হয়।

[৩] প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে গেলেও তিনি সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিলেন। সবার কাছে তিনি বাঙালি ভদ্রলোক বলেই পরিচিত ছিলেন। টাইমস অব ইন্ডিয়া

[৪] প্রণব মুখার্জির জন্ম ১৯৩৫ সালের ১১ই ডিসেম্বর, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার কীর্ণাহার শহরের নিকটস্থ মিরাটি গ্রামে। তার পিতার নাম কামদাকিঙ্কর মুখোপাধ্যায় ও মাতার নাম রাজলক্ষ্মী দেবী। বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী কামদাকিঙ্কর ১৯২০ সাল থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনকালে তিনি দশ বছর কারারুদ্ধ ছিলেন।

[৫] কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে প্রণব শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন। পরে তিনি সাংবাদিকের কাজও করেন কিছুকাল। এই সময় তিনি দেশের ডাক নামে একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ট্রাস্টি ও পরে নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতিও হন।

[৬] তিনি প্রায় পাঁচ দশক ভারতীয় সংসদের সদস্য হিসিবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি প্রথম বার কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিস্বরূপ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালেও তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে কেন্দ্রীয় শিল্পোন্নয়ন উপমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম ক্যাবিনেটে যোগদান করেন।

[৭] ক্যাবিনেটে ক্রমান্বয়ে পদোন্নতির পর ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালে ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তাকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর মধ্যে অন্যতমের শিরোপা দেওয়া হয়।

[৮] তিনি প্রায় পাঁচ দশক ভারতীয় সংসদের সদস্য হিসিবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি প্রথম বার কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিস্বরূপ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালেও তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে কেন্দ্রীয় শিল্পোন্নয়ন উপমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম ক্যাবিনেটে যোগদান করেন। বিবিসি নিসউজ

[৯] ক্যাবিনেটে ক্রমান্বয়ে পদোন্নতির পর ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালে ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তাকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর মধ্যে অন্যতমের শিরোপা দেওয়া হয়।

[১০] উল্লেখ্য, সোমবার বিকেল পৌনে ছয়টা নাগাদ এক টুইটার বার্তায় ছেলে অভিজিৎ মুখার্জি লেখেন, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, আমার বাবা প্রণব মুখার্জি এই মাত্র দিল্লির আর্মি হসপিটাল রিসার্চ অ্যান্ড রেফারালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর। টাইমস অব ইন্ডিয়া

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত