প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তিন যুগ ধরে ভাঙছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি, ৩৭ কি.মি. বিলিন

আমজাদ হোসেন : [২] দীর্ঘ ৩৫ বছর মেঘনার তার গতিতে গিলে খাচ্ছে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরে ৩৭ কিমি। সন্ধ্যায় শুয়ে থাকা ঘর খানি পরের দিন সকাল-দুপুর- সন্ধ্যায় নেই। ভাঙনের মধ্যে হঠাৎ জলোচ্ছ্বাস। মেঘনার পাড়ের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর পরিবার পানিবন্দী।

[৩] ভাঙন রোধে বাঁধ হচ্ছে আর আশা রাখছে অনেকেই কিন্তু আশায় আশায় স্বপ্নের বিভোর নদী কুলে বসবাসরত হাজার পরিবার। গোছানো সংসার ভাঙছে মেঘনা। আর এলোমেলো করছে সেই মেঘনার জলোচ্ছ্বাসের পানি। মেঘনার গর্ভে ফসলি জমিসহ শত বছরের পুরানো বাড়ি, বাজার, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদ। তবে কোন বাজার, স্কুল,মাদ্রাসা ও মসজিদ একবারই ভাঙেনি। ভেঙেছে কয়েকবার। ভাঙন রোধে কাজ হবে, এমন স্বপ্নে গড়ে উঠছে দালাল আর বহু স্থাপনা। স্বপ্ন থেকে পথে বসেছে শত পরিবার।

[৪] জলোচ্ছ্বাসে রামগতি কমলনগরের ৪০টি গ্রামে পানি উঠে তলিয়ে গেছে। জোয়ারে তলিয়ে গেছে হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙেছে সড়কের বড় বড় কালভার্ট। বিচ্ছিন্ন হয়েছে যাতায়াতের পথ। সড়ক থেকে সড়কে চলছে বিচ্ছিন্নের খেলা। মতিরহাট থেকে তোরাবগন্জ। নবী গন্জ থেকে চর লরেন্স সড়কে যান চলাচলের যাতায়াত বন্ধ। পারাপারের মাধ্যম নৌকা।

[৫] জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরের মাছ। এছাড়াও কাঁচা ঘর-বাড়ি, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। পানির তোড়ে বিভিন্ন সড়ক ভেঙে গেছে। পানিবন্দি হয়েছে অন্তত লক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘ ভাঙনের কারণে বেঁড়ি বাঁধ হচ্ছে না। বেঁড়ি বাঁধ না থাকায় নদীতে জোয়ার এলেই তলিয়ে যায় গ্রামের পর গ্রাম।

[৬] বেড়িবাঁধ না থাকায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী বালুরচর, সুজনগ্রাম, জনতা বাজার, মুন্সীরহাট, সেবাগ্রাম, চরআলগী, বড়খেরী, চরগাজী, চরগজারিয়া, চর মুজাম্মেল ও তেলিরচর এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। পানিতে প্লাবিত হয় মুন্সীরহাট বাংলাবাজার, জনতা বাজার ও চেয়ারম্যান বাজার।চর কালকিনি, চর মার্টিন, চর লরেন্স, সাহেবেরহাট, ফলকন ও পাটারিরহাট ইউনিয়ন পানির নিচে ডুবে যায়। সম্পাদনা : হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত