প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কমলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে পুড়ল দোকান ও বসতবাড়ি

সাদিকুর রহমান সামু: [২] মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ঠাকুরবাজারে অগ্নিকান্ডে পুড়ল ১৭টি দোকানঘর ও ১টি বসতবাড়ি। সোমবার ভোরে আকস্মিকভাবে সৃষ্ট আগুনে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

[৩] ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোর ৫ টায় ঠাকুরবাজারে একটি মুদি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দেখে বাজার প্রহরী বাসুদেবপুর মসজিদের মোয়াজ্জিন আরজু মিয়া মসজিদের মাইকে এনাউন্স করে বিষয়টি এলাকাবাসীকে অবহিত করেন। এলাকাবাসী কমলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে একাদিকবার ফোন দিলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি।

[৪] মুঠোফোনে কমলগঞ্জ অগ্নি নির্বাপক দলের সাথে যোগযোগ করতে না পেরে স্থানীয় শুকুর মোল্লা নামে একব্যক্তি প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ সাইকেলে অতিক্রম করে অফিস এসে অগ্নি নির্বাপক দলের কর্মীদের নিয়ে যান ঘটনাস্থলে। তবে ঘটনা স্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় আধাঘন্টা অতিবাহিত করেও পানির পাম্প চালু করতে না পারায় আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে শ্রীমঙ্গল ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়।

[৫] পরে শ্রীমঙ্গল অগ্নি নির্বাপক দলের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

[৬] অগ্নিকান্ডে নান্নু স্টোর, দেওয়ান চালের দোকান, সাহবাগ ধানের দোকান, মামনি কনফেকশনারি, শাহজালাল ভেরাটিজ স্টোর, কে এম মেডিকেল হল, জননী মেডিকেল সেন্টার, মহিউদ্দিন কম্পিউটার, হাসিম টি স্টল, নকুল সেলুন, মকসন স্টোর, বাছির ফার্নিচার, মহসিন ভেরাইটিজ স্টোর, জুয়েল মিয়া’র বসত বাড়ি, চন্দন সেলুন, হাফিজ ভেরাইটিজ স্টোর ও নজরুল মিয়ার গুদাম ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

[৭] কমলগঞ্জ অগ্নি নির্বাপক দলের এমন গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এলকাবাসী। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দীর্ঘসময় অগ্নি নির্বাপক দলের গাড়ি আটকে রাখেন। পরে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হকের আশ্বাসে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগীতায় অগ্নি নির্বাপক দলের গাড়িটিকে ছেড়ে দেয় বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।

[৮] আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক, কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান, বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল, পৌর মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ, মুন্সিবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার।

[৯] কমলগঞ্জ উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, অগ্নিকান্ডের কোন কারণ জানা না গেলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। প্রশাসনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত