প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চাঁদা তুলে কমলগঞ্জের ধলই চা বাগানের ৫৫০ পরিবারে আর্থিক সহয়তা

সোহেল রানা : [২] জেলায় গত ২৭ জুলাই থেকে শ্রম আইন ১৩ ধরা উল্লেখ করে ধলই চা বাগান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে ধলই চা বাগান কোম্পানী। আলোচনাক্রমে গত ১৯ আগস্ট থেকে ধলই চা বাগান খোলার সিদ্ধান্ত হলে শ্রমিক অসন্তোষে এ দিন বিকেলে নোটিশ দিয়ে আবার ধলই চা বাগান অনির্দিষ্টকালেল জন্য কর্তৃপক্ষ বন্ধ ঘোষণা করেন।

[৩] টানা ২৬ দিন ধরে ধলই চা বাগান বন্ধ থাকায় অনাহারে সহস্রাকি চা শ্রমিক পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এ অবস্থায় কমলগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি চা বাগানের শ্রমিকরা নিজেদের মাঝ থেকে চাঁদা তুলে নগদ ২৫০ টাকা করে ধলই চা বাগানর ৫৫০টি পরিবারে সহায়তা প্রদান করে।

[৪] শুক্রবার বিকেলে ধলই চা বাগানে এ আর্তিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালীর সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ পাইনকা ও মাসিক চা মজদুর পত্রিকার সম্পাদক সীতারাম বীণ বলেন, ধলই চা বাগান কোম্পানী সাধারণ চা শ্রমিকদের সাথে যা করছেন তা সম্পূর্ণ অমানবিক আচরণ।

[৫] মালিকপক্ষের এক কর্মকর্তা গত ১৯ আগস্ট চা বাগানে প্রবেশকালে বিক্ষোভের মুখে পড়ে তিনি দুই জন নারী শ্রমিককে লাঞ্চিত করেন। গত ২৬ দিন ধরে এ চা বাগানের শ্রমিকরা অনাহারে রয়েছে। তারা ধার করে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করে এখন অনেক শ্রমিক পরিবার কচু সিদ্ধ করে খাচ্ছে।

[৬] এ অবস্থায় মনু- ধলই ভ্যালীর ২৩ টি চা বাগানের মাঝে ১৩ টি চা বাগানের শ্রমিকরা ২০ টাকা করে চাঁদা দিয়ে ধলই চা বাগানের ৫৫০ পরিবারে নগদ ২৫০ টাকা করে সহায়তা দিয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে বাকী চা বাগনের শ্রমিকরা চাঁদা দিলে ধলই চা বাগানের বাকি শ্রমিক পরিবারে সহায়তা পৌছে দেওয়া হবে। তারা আরও বলেন, এর পর মৌলভীবাজার জেলার অন্যান্য চা বাগান থেকে এবাবে চাঁদা এনে ধলই চা বাগানের অসহায় শ্রমিক পরিবারে সহায়তা পৌছে দেওয়া হবে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত