প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শান্তি আনতে ব্যর্থ সুচি এনেছেন শান্তি আলোচনা

রাশিদুল ইসলাম : [২] চার বছর আগেও রণক্লান্ত বার্মারা কল্পনা করতে পারতেন যে, একদিন অস্ত্রের ঝনঝনানি নীরব হয়ে যাবে। ২০১৬ সালের কথা। অং সান সুচি তখন ‘২১ শতক পাংলং কনফারেন্স’ আয়োজন করছিলেন। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুরু হওয়া নানা জাতিগোষ্ঠীর বিদ্রোহের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে আয়োজিত বেশ কয়েকটি শান্তি আলোচনার প্রথমটি ছিল সে সম্মেলন। ইকোনমিস্ট

[৩] কাচিন, কায়িন ও শান রাজ্যে বিচ্ছিন্নভাবে আজও সংঘর্ষ বিদ্যমান। ১৯শে আগস্ট থেকে ২২শে আগস্ট পর্যন্ত রাজধানী নেপিডোতে ফের আলোচনায় সুচি, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর দলগুলো আদতে কি কিছু অর্জন করবে? আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে এটাই মিয়ানমারের বিদ্রোহ অবসানের শেষ চেষ্টা। তবে এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন: ভুলটা কোথায় হয়েছিল?

[৪] সেনাবাহিনীও শান্তি আলোচনায় সহায়তা করছে না। সুচি সেনাবাহিনীকে বিদ্রোহীদের সঙ্গে মিটমাট করে নিতে বাধ্য করার ক্ষমতা রাখেন না।

[৫] ২০১৯ সালের শুরু থেকে আরাকান আর্মির সঙ্গেও সংঘাত তীব্র করেছে সেনাবাহিনী। ২০১৫ সালে দলটিকে এনসিএ’তে স্বাক্ষর করতে দেয়নি সেনাবাহিনী।

[৬] বহু বছর ক্ষমতায় থেকেও কোনো ফল না নিয়ে ফের নির্বাচনে ভোটারদের সামনে দাঁড়ানোর চিন্তা থেকেই আবার কাজে নেমেছেন সুচি। সরকার কেবল ‘মুখ বাঁচাতে’ নির্বাচনের আগ দিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এতে করে দেশটি জুড়ে বিদ্যমান লড়াই থামবে না।

সর্বাধিক পঠিত