শিরোনাম
◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ২১ আগস্ট, ২০২০, ০২:২৮ রাত
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২০, ০২:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] শান্তি আনতে ব্যর্থ সুচি এনেছেন শান্তি আলোচনা

রাশিদুল ইসলাম : [২] চার বছর আগেও রণক্লান্ত বার্মারা কল্পনা করতে পারতেন যে, একদিন অস্ত্রের ঝনঝনানি নীরব হয়ে যাবে। ২০১৬ সালের কথা। অং সান সুচি তখন ‘২১ শতক পাংলং কনফারেন্স’ আয়োজন করছিলেন। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুরু হওয়া নানা জাতিগোষ্ঠীর বিদ্রোহের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে আয়োজিত বেশ কয়েকটি শান্তি আলোচনার প্রথমটি ছিল সে সম্মেলন। ইকোনমিস্ট

[৩] কাচিন, কায়িন ও শান রাজ্যে বিচ্ছিন্নভাবে আজও সংঘর্ষ বিদ্যমান। ১৯শে আগস্ট থেকে ২২শে আগস্ট পর্যন্ত রাজধানী নেপিডোতে ফের আলোচনায় সুচি, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর দলগুলো আদতে কি কিছু অর্জন করবে? আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে এটাই মিয়ানমারের বিদ্রোহ অবসানের শেষ চেষ্টা। তবে এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন: ভুলটা কোথায় হয়েছিল?

[৪] সেনাবাহিনীও শান্তি আলোচনায় সহায়তা করছে না। সুচি সেনাবাহিনীকে বিদ্রোহীদের সঙ্গে মিটমাট করে নিতে বাধ্য করার ক্ষমতা রাখেন না।

[৫] ২০১৯ সালের শুরু থেকে আরাকান আর্মির সঙ্গেও সংঘাত তীব্র করেছে সেনাবাহিনী। ২০১৫ সালে দলটিকে এনসিএ’তে স্বাক্ষর করতে দেয়নি সেনাবাহিনী।

[৬] বহু বছর ক্ষমতায় থেকেও কোনো ফল না নিয়ে ফের নির্বাচনে ভোটারদের সামনে দাঁড়ানোর চিন্তা থেকেই আবার কাজে নেমেছেন সুচি। সরকার কেবল ‘মুখ বাঁচাতে’ নির্বাচনের আগ দিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এতে করে দেশটি জুড়ে বিদ্যমান লড়াই থামবে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়