প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ছিলেন বাংলার ইকারুস : জাবির সাবেক উপাচার্য আনোয়ার হোসেন

দেবদুলাল মুন্না: [২] এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের দীর্ঘ কর্মজীবন পাকিস্তানে কেটেছে সপরিবারে। কিন্তু তিনি সচেতনভাবে উর্দুভাষা ব্যবহার করতেন না। বাসায় বাংলা ভাষাতেই কথা বলতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু পাকিস্তানী বাহিনীর নির্যাতন দেখে তিনি পাকিস্তানে ফিরে গেলেও গ্রিক পুরাণের ইকারুস আকাশে যেভাবে উড়তে চেয়েছিল সেভাবে পাকিস্তানী বিমান ছিনতাই করে ২০ আগস্ট দেশের জন্য লড়তে যান। ফলে ইকারুসের সূর্যের তাপে পুড়ে গিয়েছিল পাখা। আর মতিউর রহমান হন শহীদ।

[৩] ২০ আগস্ট বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী। ২০০৬ সালে ২৪ জুন মতিউরের দেহাবশেষ সরকারি উদ্যোগে বাংলাদেশে এনে ঢাকায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আবার দাফন করা হয়।

[৪] তার সম্মানে নরসিংদীর রায়পুরায় নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। ২০০৮ সালে ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করে নরসিংদী জেলা পরিষদ। প্রতিষ্ঠার এক দশকেও তা পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি।নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মাহমুদাবাদে গেলে চোখে পড়ে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিফলক বাংলার ঈগল’। কালো পাথরের তিমুখী এই ফলকের একটিতে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের প্রতিকৃতি, আরেকটিতে জীবনবৃত্তান্ত।

[৫] বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ছোটভাই শফিকুর রহমান বলেন, মতিউর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না।

 

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত