প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ট্রাম্প ভাইরাস রোধের চেয়ে ভোট ঠেকানোতে বেশি তৎপর: ওবামা

লিহান লিমা: [২] মার্কিন পোস্টাল সার্ভিস-ইউএসপিএস কর্তৃপক্ষ ১৫টি অঙ্গরাজ্যে পাঠানো চিঠিতে সতর্ক করে বলেছে, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে নির্দিষ্ট সময় মোতাবেক ব্যালট ভোটারদের কাছে না পৌঁছানোর ঝুঁকি রয়েছে। বিবিসি

[২] ইউএসপিএস বলেছে, মিশিগান, পেনসিলভ্যানিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, মিসৌরি ও ওয়াশিংটনের ভোটাররা রাজ্যের বর্তমান আইনের জন্য ব্যালটে ভোট দেয়ার সুযোগ হতে বঞ্চিত হতে পারেন। এই ৫ রাজ্যের বিধি অনুযায়ী নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে মেল ইন ব্যালট পাঠানো যাবে। কিন্তু অঙ্গরাজ্যগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ধরনের কড়াকড়ি আছে, তাতে ডেডলাইন অনুযায়ী ব্যালট নাও পৌঁছাতে পারে।

[৪] তবে সমালোচকরা বলছেন, পোস্টাল সার্ভিস বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছের মানুষ। তিনিই ইচ্ছে করে ডেলিভারির গতি ধীর করেছেন। কারণ ট্রাম্প শুরু থেকেই মেল-ইন ব্যালট ভোটের বিরোধিতা করে বলছেন, এতে জালিয়াতি হতে পারে এবং এর ফলে তার ডেমোক্রেট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন লাভবান হবেন। ডাক বিভাগ বিশাল সংখ্যায় পোস্টাল ব্যালট সামলাতে পারবে কি না তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। এই ভোট প্রক্রিয়া সহজ করতে ডাক বিভাগকে আরও বাড়তি অর্থ দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন ট্রাম্প।

[৫] সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা টুইটে বলেছেন, প্রশাসন ভাইরাস দমন করার চেয়ে ভোট দমন করার ব্যাপারে বেশি তৎপর। ট্রাম্প ডাক সেবাকে নতজানু করার চেষ্টা করছেন। হাউসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ও শীর্ষ ডেমোক্রেট চাক শুমার বলছেন, ট্রাম্পের উচিত ডাক বিভাগে নাশকতার চেষ্টা ব্যতিতই নির্বাচনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।

[৬] বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং ট্রাম্প নিজে মেল-ইন ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন, তা পুরোপুরি হস্তক্ষেপ থেকে নিরাপদ। এছাড়া কর্মদিবসে নির্বাচনের কারণে বহু মানুষ চাকরিচ্যুতের ভয়ে সশরীরে ভোট দিতে পারেন না। এমন সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিতে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। উপরুন্তু এবার করোনার জন্য রেকর্ড সংখ্যক মানুষ মেইলে ভোট দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সম্পাদনা: ইকবাল খান

সর্বাধিক পঠিত