প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পিপিই’র চেয়েও ‘বেশি সুরক্ষা’ দেবে নাকের স্প্রে!

ডেস্ক নিউজ : মাস্ক, গ্লাভসের মতো পিপিই ব্যবহার করে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যতটা ঠেকিয়ে রাখা যায়, তার চেয়ে ‘বেশি’ কার্যকরী একটি নাজাল স্প্রে তৈরির দাবি করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা।সূত্র: দেশ রুপান্তর

কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরি পরিচালিত বায়ো আর্কাইভ প্রিপ্রিন্ট সার্ভারে এ সংক্রান্ত একটি নথি প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সেখানে স্প্রেটিকে অ্যারোন্যাবস (AeroNabs) নামে পরিচয় করানো হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিকা আবিষ্কারের আগে কভিড-১৯ রোগ প্রতিরোধে তাদের এই স্প্রে স্বল্প-মেয়াদি সরঞ্জাম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

অ্যারোন্যাবসে ইমিউন প্রোটিনের মতো কৃত্রিম ন্যানোবডি ব্যবহার করা হয়েছে।

ল্যাবের পরীক্ষায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাস কোষে প্রবেশের আগেই এই ন্যানোবডি তাকে ব্লক করছে।

যেকোনো প্রতিষেধকের শতভাগ কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ক্লিনিক্যাল বা হিউম্যান ট্রায়ালের প্রয়োজন। অ্যারোন্যাবসের ক্ষেত্রে সেটি এখনো হয়নি।

ইউসিএসএফ-এর প্রাণরসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. পিটার ওয়াল্টার বলছেন, ‘করোনা ঠেকাতে যে সুরক্ষা পোশাক বা পিপিই ব্যবহার করা হচ্ছে তার থেকে অ্যারোন্যাবস অনেক বেশি কার্যকরী।’

‘যাদের টিকা পেতে দেরি হবে তারা অ্যারোন্যাবস ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকতে পারবেন।’

করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারে ন্যানোবডি নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। এটি প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৮০ সালের দিকে, একটি বেলজিয়ান ল্যাবে।

অনেক দেশের গবেষক বলছেন, এই ন্যানোবডি ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে করোনাভাইরাস নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব। সার্সের মতো করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অতীতে এটি কাজ করেছে। তবে ‘নভেলের’ ক্ষেত্রে এখনো শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মানুষের শরীর যে অ্যান্টিবডি তৈরি করে তার অতিক্ষুদ্র অংশকে ন্যানোবডি বলে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে সিঙ্গেল-ডোমেইন অ্যান্টিবডিও বলা হয়। সাধারণ অ্যান্টিবডির দশভাগের এক ভাগ হয় এরা। লামা এবং উটের রক্তের নমুনায় ন্যানোবডি থাকে।

ভাইস নিউজ জানিয়েছে, কৃত্রিম ন্যানোবডি তৈরির এই গবেষণায় অংশ নেন গবেষকদের ৫০টি দল। তারা আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলের ল্যাবে কাজ করেছেন। ফ্রান্সের একটি ল্যাবের বিজ্ঞানীরাও এতে অংশ নেন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত