শিরোনাম
◈ স্নাইপার থেকে রকেট লঞ্চার : পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে ভয়ংকর অস্ত্র ◈ যুদ্ধের ধাক্কায় পাঁচ গুণ বেড়েছে তেল পরিবহন ব্যয়, অস্থির জ্বালানি বাজার ◈ যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, আইএলআর পেতে ১০-১৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশিদের? ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে আশাবাদী বাংলাদেশ, সৌদি আরবের জবাবের অপেক্ষায় সরকার ◈ আগারগাঁওয়ে রাতের আঁধারে মেট্রো স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য নতুন নির্দেশনা, যেসব কাজ করলে হতে পারে জরিমানা বা শাস্তি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন মঙ্গলবার, কী হবে ট্রাম্পের ভাগ্য? ◈ আফগা‌নিস্তান প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে বাংলাদেশের সা‌কিব-মুশ‌ফিকসহ ১০ ক্রিকেটার ◈ এক লাফে ২২৩ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম ◈ শুল্কের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার কারনে রেশম শিল্পের ক্ষতি ৩০০ কোটি টাকা

মঈন উদ্দীন:  [২] অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর রেশম শিল্প। বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে ধুঁকে ধুঁকে চলা এ শিল্পখাত আবার অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই মাসের লকডাউনে কোটি কোটি টাকার লোকসানে পড়েছে সিল্কের তৈরি পোশাকখাত।

[৩] এখন সিল্কের তৈরি পোশাকের শো-রুম খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। বেচাবিক্রি না থাকায় কারখানার উৎপাদনও কমে গেছে। অথচ সব জনবলকে বেতন দিতে গিয়ে হিমশিমে পড়তে হচ্ছে সিল্কের তৈরি পোশাক উৎপাদনকারীদের।

[৪] ব্যবসায়ীদের মতে, করোনাভাইরাসের কারণে সারাদেশে রেশম শিল্পে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হবে। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনাসহ রেশম শিল্পকে বাঁচাতে সরকারি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া ধ্বংসপ্রায় এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার কোনো সম্ভাবনা নাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করছেন।

[৫] অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কারখানায় থানকাপড় তৈরি করলেও পোশাক তৈরি করে না। তারা থান কাপড় উৎপাদন করে দেশের বিভিন্নস্থানে তা বিক্রি করে। গত এক দশক আগেও রাজশাহী মহানগরীর সপুরা এলাকায় ১৫টির মতো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করলেও এখন তা মাত্র চার পাঁচটিতে নেমে এসেছে।করোনা ভাইরাসের কারণে লকাউনের কারণে ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সিল্কের কাপড় কারখানা ও শো-রুম বন্ধ ছিলো। রোজার ঈদের আগে সীমিত পরিসরে খোলা হলেও বিক্রি তেমন হয়নি।

[৬] ৩১ মে পর থেকে লকাউন তুলে দেওয়া হলে শো-রুম ও কারখানা চালু করা হয়েছে। তবে বেচাবিক্রি আর আগের মতো জমে উঠেনি।বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। কারখানা খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি না থাকায় উৎপাদন কমে এসেছে অর্ধেকে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ