শিরোনাম
◈ সেঞ্চু‌রি না পে‌য়ে হতাশ শান্ত ও মুশফিক, আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে চালকের আসনে বাংলাদেশ ◈ বিএনপিতে অপকর্মে জড়ালে ছাড় নয়, চাঁদাবাজি-দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: এমপিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ◈ নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপটি উদ্ধার (ভিডিও) ◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত ◈ গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করতে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির দাবি ◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার কারনে রেশম শিল্পের ক্ষতি ৩০০ কোটি টাকা

মঈন উদ্দীন:  [২] অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর রেশম শিল্প। বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে ধুঁকে ধুঁকে চলা এ শিল্পখাত আবার অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই মাসের লকডাউনে কোটি কোটি টাকার লোকসানে পড়েছে সিল্কের তৈরি পোশাকখাত।

[৩] এখন সিল্কের তৈরি পোশাকের শো-রুম খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। বেচাবিক্রি না থাকায় কারখানার উৎপাদনও কমে গেছে। অথচ সব জনবলকে বেতন দিতে গিয়ে হিমশিমে পড়তে হচ্ছে সিল্কের তৈরি পোশাক উৎপাদনকারীদের।

[৪] ব্যবসায়ীদের মতে, করোনাভাইরাসের কারণে সারাদেশে রেশম শিল্পে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হবে। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনাসহ রেশম শিল্পকে বাঁচাতে সরকারি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া ধ্বংসপ্রায় এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার কোনো সম্ভাবনা নাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করছেন।

[৫] অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কারখানায় থানকাপড় তৈরি করলেও পোশাক তৈরি করে না। তারা থান কাপড় উৎপাদন করে দেশের বিভিন্নস্থানে তা বিক্রি করে। গত এক দশক আগেও রাজশাহী মহানগরীর সপুরা এলাকায় ১৫টির মতো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করলেও এখন তা মাত্র চার পাঁচটিতে নেমে এসেছে।করোনা ভাইরাসের কারণে লকাউনের কারণে ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সিল্কের কাপড় কারখানা ও শো-রুম বন্ধ ছিলো। রোজার ঈদের আগে সীমিত পরিসরে খোলা হলেও বিক্রি তেমন হয়নি।

[৬] ৩১ মে পর থেকে লকাউন তুলে দেওয়া হলে শো-রুম ও কারখানা চালু করা হয়েছে। তবে বেচাবিক্রি আর আগের মতো জমে উঠেনি।বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। কারখানা খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি না থাকায় উৎপাদন কমে এসেছে অর্ধেকে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ