শিরোনাম
◈ বাংলা কিউআরের অপব্যবহার: অবৈধভাবে ক্যাশআউট সুবিধা দিচ্ছে মার্চেন্টরা, ঝুঁকিতে ২০ লাখ এজেন্ট! ◈ রিকন্ডিশনড ইভি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, ব্যাটারি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে! ◈ মামলার টার্গেটে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ট্রাফিক সার্জেন্টরা, মূল্যায়ন পদ্ধতি বদলানোর দাবি ◈ কান্তাসের বহর থেকে বিদায় নিচ্ছে এ৩৮০, সুপারজাম্বো যুগেরও কি অবসান? ◈ হ‌্যা‌রি কেইনের গোলে জয়ে ফিরলো বায়ার্ন মিউনিখ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ, বিশ্ববাজারে বাড়ল তুলার দাম ◈ লেভান্তের মা‌ঠে বার্সেলোনার স্ব‌স্তির জয় ◈ দেশে ফিরেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, বিমানবন্দরে নেমে যা বললেন ◈ জর্ডানকে আবা‌রো  হারালো বাংলাদেশ, আলপির জোড়া গোল ◈ হঠাৎ সৌদি আরবে জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার কারনে রেশম শিল্পের ক্ষতি ৩০০ কোটি টাকা

মঈন উদ্দীন:  [২] অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর রেশম শিল্প। বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে ধুঁকে ধুঁকে চলা এ শিল্পখাত আবার অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই মাসের লকডাউনে কোটি কোটি টাকার লোকসানে পড়েছে সিল্কের তৈরি পোশাকখাত।

[৩] এখন সিল্কের তৈরি পোশাকের শো-রুম খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। বেচাবিক্রি না থাকায় কারখানার উৎপাদনও কমে গেছে। অথচ সব জনবলকে বেতন দিতে গিয়ে হিমশিমে পড়তে হচ্ছে সিল্কের তৈরি পোশাক উৎপাদনকারীদের।

[৪] ব্যবসায়ীদের মতে, করোনাভাইরাসের কারণে সারাদেশে রেশম শিল্পে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হবে। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনাসহ রেশম শিল্পকে বাঁচাতে সরকারি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া ধ্বংসপ্রায় এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার কোনো সম্ভাবনা নাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করছেন।

[৫] অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কারখানায় থানকাপড় তৈরি করলেও পোশাক তৈরি করে না। তারা থান কাপড় উৎপাদন করে দেশের বিভিন্নস্থানে তা বিক্রি করে। গত এক দশক আগেও রাজশাহী মহানগরীর সপুরা এলাকায় ১৫টির মতো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করলেও এখন তা মাত্র চার পাঁচটিতে নেমে এসেছে।করোনা ভাইরাসের কারণে লকাউনের কারণে ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সিল্কের কাপড় কারখানা ও শো-রুম বন্ধ ছিলো। রোজার ঈদের আগে সীমিত পরিসরে খোলা হলেও বিক্রি তেমন হয়নি।

[৬] ৩১ মে পর থেকে লকাউন তুলে দেওয়া হলে শো-রুম ও কারখানা চালু করা হয়েছে। তবে বেচাবিক্রি আর আগের মতো জমে উঠেনি।বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। কারখানা খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি না থাকায় উৎপাদন কমে এসেছে অর্ধেকে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ