শিরোনাম
◈ ৯৪ মিনিটে গোল, সুইসদের বিপক্ষে কাতারের অবিশ্বাস্য ড্র ◈ শান্তিচুক্তি সইয়ের সময়সূচি ঘোষণা ট্রাম্পের, ভিন্ন অবস্থানে ইরান ◈ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে, লবণচাষীরা পাবেন ন্যায্যমূল্য ◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনার কারনে রেশম শিল্পের ক্ষতি ৩০০ কোটি টাকা

মঈন উদ্দীন:  [২] অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর রেশম শিল্প। বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে ধুঁকে ধুঁকে চলা এ শিল্পখাত আবার অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে গত দুই মাসের লকডাউনে কোটি কোটি টাকার লোকসানে পড়েছে সিল্কের তৈরি পোশাকখাত।

[৩] এখন সিল্কের তৈরি পোশাকের শো-রুম খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। বেচাবিক্রি না থাকায় কারখানার উৎপাদনও কমে গেছে। অথচ সব জনবলকে বেতন দিতে গিয়ে হিমশিমে পড়তে হচ্ছে সিল্কের তৈরি পোশাক উৎপাদনকারীদের।

[৪] ব্যবসায়ীদের মতে, করোনাভাইরাসের কারণে সারাদেশে রেশম শিল্পে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হবে। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি প্রণোদনাসহ রেশম শিল্পকে বাঁচাতে সরকারি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া ধ্বংসপ্রায় এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার কোনো সম্ভাবনা নাই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করছেন।

[৫] অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কারখানায় থানকাপড় তৈরি করলেও পোশাক তৈরি করে না। তারা থান কাপড় উৎপাদন করে দেশের বিভিন্নস্থানে তা বিক্রি করে। গত এক দশক আগেও রাজশাহী মহানগরীর সপুরা এলাকায় ১৫টির মতো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কারখানায় পোশাক তৈরি ও বিপণন করলেও এখন তা মাত্র চার পাঁচটিতে নেমে এসেছে।করোনা ভাইরাসের কারণে লকাউনের কারণে ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সিল্কের কাপড় কারখানা ও শো-রুম বন্ধ ছিলো। রোজার ঈদের আগে সীমিত পরিসরে খোলা হলেও বিক্রি তেমন হয়নি।

[৬] ৩১ মে পর থেকে লকাউন তুলে দেওয়া হলে শো-রুম ও কারখানা চালু করা হয়েছে। তবে বেচাবিক্রি আর আগের মতো জমে উঠেনি।বেচাবিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। কারখানা খোলা থাকলেও বেচাবিক্রি না থাকায় উৎপাদন কমে এসেছে অর্ধেকে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়