প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী: সজীব ওয়াজেদ জয়, সম্মুখে কঠিন চ্যালেঞ্জ, তবুও পার হতে হবে

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী: সজীব ওয়াজেদ জয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করেছেন। নানা তার নাম রেখেছেন জয়। ১৯৭৫ সালে ভাগ্যক্রমে মায়ের সঙ্গে পিতার কাছে জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। যদি দেশে থাকতেন তাহলে তাকেও হয়তো আমাদের হারাতে হতো। তিনি বেঁচে আছেন বলেই এবার তার ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠিত হলো। যে বয়সে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এখন সজীব ওয়াজেদ জয়ের বয়স প্রায় সেটিই। নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির পিতা। বাবা এসএম ওয়াজেদ মিয়া বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী। মা শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সজীব ওয়াজেদ জয় পঁচাত্তরের পর থেকেই বিদেশে কাটিয়েছে। লেখাপড়াও দেশের বাইরে। কম্পিউটার বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে ইচ্ছে করলে আমেরিকায় বড় চাকরি করে সুখে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারতেন। কিন্তু ‘রক্তে যার রাজনীতি, দেশপ্রেম তার পক্ষে বিদেশে পড়ে থাকা কতোটা সম্ভব সেটি মস্তবড় প্রশ্ন। সজীব ওয়াজেদ জয় বারবার ছুটে এসেছেন দেশে। মাকে তার বিশেষজ্ঞ জ্ঞান থেকে দেশকে সেবা করার কিছু কিছু বার্তা দিলেন। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসেই শেখ হাসিনা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশন করার উদ্যোগ নেন। অনেকের কাছেই বিষয়টি ছিলো অবিশ্বাস্য। ডিজিটাল বাংলাদেশ কথা নিয়ে অনেকেই হাসিঠাট্টা করতো। সেই হাসিঠাট্টার আচরণটি এখন আর এইদেশে দেখা যায় না। সর্বত্র ডিজিটালাইজেশনের ব্যাপক প্রচলন ঘটেছে। এখন গ্রামের সাধারণ মানুষও এর সুযোগ পাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে যেভাবে অগ্রসর হয়েছে তাতে অচিরেই আমাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে এটি সকলেই নিশ্চিত। এর কৃতিত্ব অনেকটাই সজিব ওয়াজেদ জয়ের। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবৈতনিক তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্ঠা হিসেবে কাজ করছেন। দেশের অসংখ্য তরুণ-তরুণী দেশে বসেই অনলাইন আউটসোর্সিং করছেন।

দেশের অভ্যন্তরে প্রায় সর্বক্ষেত্রেই অনলাইন পদ্ধতিতে কাজকর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্য, লেনদেন, শিক্ষা, প্রশাসন ইত্যাদি চলছে। মাত্র এক দশকেই বাংলাদেশ ডিজিটালাজেশনের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বেকারত্ব অনেকটা দূরীকরণে সাফল্য অর্জন করতে থাকে। দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব এখন দৃশ্যমান ও সুদুরপ্রসারী। সে কারণে তরুণদের একটি বড় অংশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ, তার বক্তৃতা শোনার জন্য অনেকেই আগ্রহী হয়ে থাকে। তিনি যখন বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে পরিবর্তনের স্বপ্নের কথা বলেন তখন তরুণরাও সেই ভাবনায় যুক্ত হয়ে যায়। এখানেই সজীব ওয়াজেদ জয়ের কৃতিত্ব। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সন্তান হওয়া সত্তে¡ও রাজনৈতিক বিষয়াদিতে খুব একটা জড়াচ্ছেন না। তিনি তার প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, উপদেশ প্রদান করেন। সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে নানারকম কথা রাজনীতিতে এবং স্যোশাল মিডিয়ায় রয়েছে। তবে একটি মহল তাকে নিয়ে গুজব, অপপ্রচার এবং নানাধরনের মিথ্যাচার করার চেষ্টা করে থাকে। সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও প্রচার করার চেষ্টা হয়ে থাকে। কিন্তু ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেউ আইন ও নিয়ম ভঙ্গ করে পার পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সুতরাং যারা তার বিরুদ্ধে এইসব অপপ্রচার করেন তারা মূলত রাজনৈতিক ঈর্ষাপরায়ণতা থেকেই তা করে থাকে। বাংলাদেশে একটি গোষ্ঠী রয়েছে যারা বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই এই অপকর্মগুলো করে বেরিয়েছে। এ অপকর্ম যারা করে তারা প্রতিক্রিয়াশীল, দেশকে পেছনের দিকে টেনে নেওয়া ছাড়া অন্যকোন যোগ্যতা তাদের নেই। দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদির পক্ষে এদের সামান্যতম ভ‚মিকা নেই বরং এসবের বিরুদ্ধেই তাদের রাজনৈতিক অবস্থান। সে কারণেই তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকে নানাভাবে কুৎস্যা প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিকৃত ইতিহাস প্রচার ও পঠনপাঠনে বাধ্য করেছে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের জীবিত সদস্যদের চরিত্র হনন করা তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ বলেই বিবেচনা করা যায়। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাসহ অন্যদেরও হত্যা করার চেষ্টা বারবার করা হয়েছে। যারা রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে হত্যা করার মানসিকতা রাখে তাদের রাজনৈতিক অধিকার পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশেই থাকে না। কিন্তু ‘বাংলাদেশে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে হলেও সত্য বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি দিয়ে দেশে রাজনীতি করা বিদেশে দুতাবাসে চাকরি দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। সুতরাং সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে কারা কী অপপ্রচার করছেন, কেন করছেন সেটি বুঝতে খুববেশি চিন্তা করতে হয় না। সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে অনেকের কৌতুহল হচ্ছে কখন তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করবেন। তবে সজীব ওয়াজেদ জয় যথার্থই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যতোদিন তার মা রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন ততোদিন তিনি পেছনে থেকে তার দায়িত্ব তিনি পালন করে যাবেন। এর ফলে বাংলাদেশে দৈত্য অবস্থান তৈরি হয়নি- যেমনটি ঘটেছিল ২০০১-২০০৬ সালে- একদিকে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, অন্যদিকে হাওয়া ভবন কেন্দ্রিক তারেক রহমানের ক্ষমতা। এই সুযোগটি শেখ হাসিনা এবং জয় কেউই দেশে ঘটতে দেননি। জয় রাজনীতিতে এখনই সক্রিয় হলে কতোটা ভালো হতো তা আন্দাজ করে কিছু বলা যাবে না। তবে তিনি যেভাবে এখন কাজ করছেন সেটি দেশের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের রাজনৈতিক সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করতে পারছেন, মায়ের কাছ থেকেও নানা ধরনের অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি বয়সে এখন পরিপক্ক। সুতরাং তার বোঝার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন করা মোটেও শুভনীয় নয়। তবে শেখ হাসিনা যখন প্রয়োজন মনে করবেন তখন হয়তো তাকে সক্রিয় রাজনীতিতে আসার ব্যবস্থা করতে পারেন। এটি স্বীকার করতেই হবে শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশ অনেকবেশি জটিল পরিস্থিতিকে অতিক্রম করে চলতে হবে। অবশ্য রাজনীতির ধর্মই হচ্ছে সময়ের জটিলতাকে অতিক্রম করার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দূরদর্শিতা। যে দলের থাকবে সেদল শত প্রতিক‚লতার পরও শুধু টিকে থাকবে না, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে পারে। আমরা বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি দেখেছি। পাকিস্তানের ২৩ বছর তিনি পূর্ব বাংলার রাজনীতির মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি ও দলকে সংগঠিত করার নেতৃত্ব দিয়েছেন। সে কারণে প্রবীণ অনেক দল ও নেতা থাকা সত্তে¡ও পাকিস্তানকালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলই জাতীয় রাজনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ পরবর্তী সময়ে যেভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জনগণকে জাগিয়ে তুলেছিলেন সেটাই পাকিস্তানের সকল ষড়যন্ত্র তছনছ করে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু পেরেছিলেন পাকিস্তানকে বাংলাদেশ ভ‚খÐ থেকে বিদায় জানাতে। এই ভ‚খÐে তিনি লাল সবুজের পতাকা তুলে ধরতে পেরেছিলেন। জন্ম দিয়েছিলেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের। ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে এসে তিনি জাতীয় চার মৌলনীতির ভিত্তিতে একটি শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা খায়েমের লক্ষ্যে গোটা সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নেন। তার সেই স্বপ্ন অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই মধ্যম আয়ের এমনকি উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদা হয়তো লাভ করতো। কিন্তু ‘প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী তাকে হত্যা করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পাকিস্তানযুগে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এই ফিরিয়ে নেওয়া বাংলাদেশে শেখ হাসিনা এসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব কাঁধে তুলে নিলেন। বহু লড়াই সংগ্রাম করে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেন। মুক্তিযুদ্ধের ধারায় দেশকে ফিরিয়ে নিতে চেষ্টা করলেন। আবার স্বীকার হলেন ষড়যন্ত্রের। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হলো। এরপর তাকে প্রাণে হত্যা করার পরিকল্পনা ২১ আগস্ট করা হলো। আরও অনেক নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হলো। এরপর ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করার বহুবার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনো সেই চেষ্টা থেকে বিরত থাকেনি। সুতরাং আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাওয়াই শুধু নয়, রাজনীতি করারও পথ বেশ কন্ঠকাকীর্ণ।

১৯৭৫ সালের পর থেকে দেশের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা-সাংস্কৃতিক ও মানুষের মনোজগতে যেসব নেতিবাচক ধারণা ও সাম্প্রদায়িকতার বীজ ছড়ানো হয়েছে তা দূর করে বঙ্গবন্ধুর পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়া আগামী দিনের জন্য মোটেও সহজ কাজ নয়। শেখ হাসিনা চার মেয়াদে যথেষ্ট লড়াই করে যাচ্ছেন। কিন্তু ‘তারপরও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার বাতাবরণ তৈরি করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। সে কারণে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে আরও অনেকবেশি জটিল পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করতে হতে পারে। কেননা সমাজের অভ্যন্তরে দুর্নীতি, ব্যক্তিস্বার্থ, সিন্ডিকেট এবং নানা ধরনের অনিয়মকে আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিয়ে যেভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠেছে তা দিয়ে শোষনহীন সমাজ বা আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা খুবই কঠিন কাজ। আমরা জানি না এই দায়িত্ব সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপর ন্যস্ত হবে কিনা। যদি হয় তাহলে তাকে এখন থেকেই রাজনীতির আদর্শ, নীতিকৌশল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গভীরভাবে কাজ করতে হবে। এখন কোনো দলেই আদর্শের রাজনীতির চর্চা খুব একটা আন্তরিকতার সঙ্গে হয় না। সুবিধাবাদ, তোষামোদী, স্বার্থ উদ্ধার ইত্যাদি চক্র রাজনৈতিক দলকে বিতর্কিত করে ফেলে। আওয়ামী লীগের মতো রাজনৈতিক দল অনেক ভালো কাজ করার পরও তৃণমূল থেকে উপর পর্যন্ত কারো কারো বিতর্কিত কর্মকাÐের কারণে যথেষ্ট বিব্রতকর অবস্থায় আছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চেহারায় ফিরে যেতেই হবে। সেই কাজটি এখনই করা দরকার। সুতরাং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটালাইজেশনের পরিকল্পনা বাংলাদেশে যেভাবে সফল হয়েছে একইভাবে আদর্শের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সচেতন প্রয়াশের কোনো বিকল্প নেই। এর ব্যত্যয় ঘটলে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যের অনেকগুলো রাষ্ট্রের মতো উগ্র, হঠকারী, জঙ্গিবাদী শক্তির কবলে পড়ে যেতে পারে। সেই লক্ষণ আমাদের দেশে সমাজ ও রাজনীতিতে যথেষ্ট রয়ে গেছে। দেশে অসংখ্য দল আছে, অনেক নেতাও নাকি আছেন। কিন্তু ‘দল এবং দেশকে প্রগতি, উন্নতি, আদর্শবাদিতা এবং আধুনিকতায় নেতৃত্ব দেওয়ার মতো নেতার অভাব কতোটা প্রকট তা মাইক্রোস্পকপি দিয়ে খুঁজলেও খুব একটা পাওয়া যাবে না। একজন শেখ হাসিনা এখন দেশটাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলেই দেশটা এখনও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু ‘অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই শেষ কথা নয়। মানবিক মূলবোধে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নানা ধরনের হুমকিতেই থাকবে। সে কারণেই প্রয়োজন হচ্ছে একগুচ্ছ দেশপ্রেমিক যোগ্য ও মেধাবী ভিশনারি-মিশনারি নেতৃত্বের যারা বঙ্গবন্ধুর মতো, শেখ হাসিনার দেশকে আগামী দিনের জন্য নিরাপদ নেতৃত্ব দিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।
লেখক : শিক্ষাবিদ

 

 

 

 

 

 

 

 

সর্বাধিক পঠিত