প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শীঘ্রই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে, বাস্তবায়ন করবে গণপূর্ত অধিদফতর

সুজিৎ নন্দী : [২] সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সঙ্কট নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয। ১৭টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৯ হাজার ৭৩৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া আরও ৯টি প্রকল্পের আওতায় ৮ হাজার ৮৩৫টি ফ্ল্যাট নির্মাণ কাজ অনুমোদনের জন্য বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গণপ‚র্ত অধিদফতর।

[৩] প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, গণপ‚র্ত বিভাগের একটি দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল রয়েছে, যাদের মধ্যে আছেন সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা। এছাড়া স্থাপত্য অধিদফতরের স্থপতিরাও তাদের সঙ্গে পাশাপাশি কাজ করে থাকেন। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা পেশাদারিত্ব ও কাজের সুউচ্চ মান পিডবিøউডির অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তাই যেকোনো নির্মাণ প্রকল্পের জন্য পিডব্লিউডিই সবার প্রথম পছন্দ।

[৪] প্রধান প্রকৌশলী জানান, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের হার ৮ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২২ শতাংশে উন্নীত হবে। এছাড়া বাকি ফ্ল্যাটের চাহিদা ২০৪১ সালের মধ্যে গৃহায়ন ও গণপ‚র্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ গণপ‚র্ত অধিদফতর বাংলাদেশে নির্মাণ অঙ্গনের পথিকৃত।

[৫] সূত্র জানায়, অনেক গুরুত্বপ‚র্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন তারা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় সংসদ ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৪৪৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের জন্য ৭৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলা একাডেমি ভবন নির্মাণ, চট্টগ্রাম ৪ তলাবিশিষ্ট নতুন আদালত ভবন নির্মাণ, মুন্সীগঞ্জ জেলায় ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ (দ্বিতীয় পর্যায়) অন্যতম।

[৬] অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম জানান, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটানা তিন মেয়াদের সরকার আমলে গণপ‚র্ত অধিদফতরের উন্নয়ন কাজ রেকর্ড গড়েছে। কারণ অতীতে অন্য কোনো সরকার আমলেই এত বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি জানান, নির্মাণ কাজের গুণগতমান সঠিক রাখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন তারা।

[৭] পাশাপাশি গাজীপুরে শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব মেমোরিয়াল বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ নির্মাণ, ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ, মেহেরপুর মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণ, ঢাকায় পুলিশ টাওয়ার নির্মাণ, ২টি এসএসএফ কোয়ার্টার্স (১টি ১১ তলা কর্মকর্তাদের জন্য এবং ১টি ১৪ তলা কর্মচারীদের জন্য), বিএসটিআই ভবন, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রের (বিটাক) হোস্টেল নির্মাণ, চট্টগ্রামে নতুন আদালত ভবন নির্মাণ, ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ভবন এবং খিলগাঁওয়ে ৫শ’ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, তেজগাঁওয়ে জাতীয় ইএনটি ইনস্টিটিউট অন্যতম।

[৮] এছাড়াও ঢাকাস্থ আজিমপুরে সরকারি কলোনিতে বহুতলবিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, মতিঝিলে সরকারি কলোনিতে বহুতলবিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, জাতীয় সংসদ ভবনের প‚র্ত কাজ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক সিস্টেমের উন্নয়ন, বঙ্গভবনের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রপতির রেসিডেন্স ব্লকসংলগ্ন প‚র্বদিকে সুইমিংপুল স্থাপন, ঢাকাস্থ মিরপুর ৬নং সেকশনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০৬৪টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ।

[৯] সূত্র আরো জানায়, মিরপুর ৬নং সেকশনে গণপ‚র্ত অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২৮৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, ঢাকার বেইলি রোডে মন্ত্রীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ (মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট-৩ নির্মাণ), ইস্কাটনে সিনিয়র সচিব-সচিব-গ্রেড-১ কর্মকর্তাদের জন্য ৩টি ২০ তলা ভবনে ১১৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, ঢাকার মালিবাগে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৪৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত