প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মরনোত্তর দেহদানের বিষয়ে হুমায়ুন আজাদ বলে গেলেও স্বজনদের আবেগের কারণে কবর দেওয়া হয় : মৌলি আজাদ

দেবদুলাল মুন্না: [২] গতকাল ইন্টারভিউতে তিনি এ তথ্য জানিয়ে বলেন, মরনোত্তর দেহ দানের বিষযে বাবা মৌখিকভাবে বলে গিয়েছিলেন ,কোন লিখিত ডকুমেন্ট ছিলনা । চোখ দানের বিষয়ে সন্ধানী’র সঙ্গে চুক্তি ছিল । কিন্তু তিনি জার্মানীতে মারা যাওয়ার পর আমরা তাঁর মৃতদেহ পাই ২৭ শে আগস্ট । এ সময় ডাক্তারদের সাথে কথা বলেছি তার শেষ ইচ্ছের বিষয়ে । তারা জানান এতদিন পর কর্নিয়া নিয়ে কোন লাভ হবেনা।

[৩] মৌলি বলেন, এরপর বাবার অনুরাগীরা আমাদের বাসায় আসতে থাকেন ও অনুরোধ করেন বাবার চিরস্থায়ী শয্যার ব্যবস্থা করার জন্য ,যাতে তারা যেকোন সময় তাদের স্যারকে মনে পড়লেই সেখানে ছুটে যেতে পারেন ।

[৪] আজ হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুদিন। তিনি ২০০৪ সালের ১১ আগস্ট রাতে জার্মানীন মিউনিখে একটি অনুষ্ঠান থেকে আবাসস্থলে ফেরার পর আকস্মিকভাবে মারা যান। হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর পর জার্মান সরকারের তত্ত্বাবধানে মিউনিখে তার সব জিনিসপত্র ঢাকায় পাঠায়। ওই জিনিসপত্রের ভেতরে ছিল তিনটি চিঠি। চিঠি তিনটি লিখেছিলেন তিন সন্তান মৌলি, স্মিতা এবং অনন্য আজাদকে। মৌলি আজাদ বলেন, বাবা’র মৃত্যু সংবাদ শুনে সত্যি বলতে কি বিশ্বাস করতে পারিনি । ২৭ শে ফেব্রয়ারি যে মানুষটির ওপর এতো বড় হামলা হওয়ার পরও বেঁচে গিয়েছিলেন ,তিনি জার্মানি যাবার তিন দিনের মাথায় মারা যাবেন এটি বিশ্বাস করা কঠিন।

[৫] মৌলি তার বাবা’র স্মৃতি নিয়ে বলেন, বেশিরভাগ সময়ই আমাদের বাসায় সাংবাদিকরা যেতেন বাবা’র ইন্টারভিউ নিতে। তখন অনেক আড্ডাও হতো। তো, আমি তখন ছোট ছিলাম। ভাবতাম বাবা সেলিব্রেটি বলেই তার এত ভক্ত, অনুরাগী। একদিন বাবা’কে বলেই ফেলি যে আমিও বড়ো হয়ে সেলিব্রেটি বিয়ে করব, তখন বাবা বলেছিলেন, এই কাজটি কখনো করো না। নিজে সেলিব্রেটি হওয়ার চেষ্টা করো।

[৬] তিনি জানান, তার বাবা’কে নি:সঙ্গ দ্বীপের মতো মনে হতো। প্রচুর পড়াশোনা করতেন। রিকশায় চড়তে পছন্দ করতেন। নীল জিনস ছিল তার পছন্দ। তিনি মানুষ ও দেশকে সত্যিকারের ভালবাসতেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত