প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মহেশপুরে লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকে আবারো সিজারের পর গৃহবধূর মৃত্যু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: [২] ঝিনাইদহের মহেশপুরে আবারো সিজারের পর মরিয়াম খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। নিহত গৃহবধূ উপজেলার নেপা ইউনিয়নের জিনজিরা গ্রামের সিকদার আলীর স্ত্রী। এছাড়া সে একই ইউনিয়নের খোশালপুর গ্রামের মকলেস তরফদারের মেয়ে।

[৩] রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার নেপার মোড়ে মা ও শিশু প্রাইভেট হাসপাতালে সিজারের পর সোমবার সকালে মারা যান। এর আগে ৬ আগষ্ট একই বাজারের একতা ক্লিনিকে লাবনী নামের এক গৃহবধু সিজারের পর মারা যায়। মারা যাওয়া দু’জনকেই সোহেল রানা নামে স্থানীয় এক ডাক্তার অপারেশন করেন।

[৪] এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত মরিয়াম বেগমের পরিবারের ভাষ্য, গৃহবধূ মরিয়ামের প্রসব যন্ত্রনা শুরু হলে রোববার বিকালে উপজেলার নেপার মোড়ে মা ও শিশু প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর রাতে ডাক্তার মো. সোহেল রানা ও গ্রাম্য ডাক্তার শ্রী লক্ষণ অপারেশন করেন।

[৫] এরপর সোমবার সকালে মারা যায়। মারা যাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে ক্লিনিক মালিক মৃত গৃহবধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর নিয়ে যান। পথে যশোরের চুড়ামনকাঠি থেকে মারা গেছে বলে ফেরত নিয়ে আসেন।
[৬] মা ও শিশু প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক নাজমুল হুদা মনু সিজারের পর গৃহবধূ মরিয়াম মারা যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রোগীর কিডনীর সমস্যা ছিল। রাতে অপারেশনের পর সকালে সুস্থ্য ছিল। পরে সামান্য অসুস্থ্য হয়ে পড়লে যশোর নেওয়ার পর রাস্তা ভালো না হওয়ায় অতিরিক্ত ঝাকুনির ফলে মারা যেতে পারে।

[৭] মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আনজুমান আরা জানান, আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়েছি। খোজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে যোগ করেন এই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তা।

[৮] তবে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানিয়েছেন, মরিয়াম সিজারে মারা গেছে এমন কোন সংবাদ আমি জানি না। তবে খোজ নিয়ে দেখা হবে, যদি এমন হয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া গত ৬ আগস্ট সিজারের পর লাবনী মারা যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত চলছে। রিপোর্ট হাতে পেলেই দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত