প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি রেজিস্ট্রেশন করা জরুরি, ভবিষ্যতে যে কেউ এর স্বত্ব দাবি করতে পারেন!

সমীরণ রায়: [২] ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৮ মিনিটের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কপিরাইট আইন অনুযায়ী অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করার বিধান রয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন নেই। এতে অবৈধবাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ইনরেকো ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, ইন্ডিয়ান রেকর্ডস মেনুফ্যাকচারিং কোম্পানি ভাষণটির অডিও ও কন্টেন্ট আইডি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। একাজে সহযোগিতা করেছে হিন্দুস্তান রেকর্ডস।

[৩] কপিরাইট অফিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো ভিডিও চিত্র ও এর কপিরাইটের স্বত্তাধিকারী একমাত্র তিনি ও তার পারিবারের সদস্যরা। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি কপিরাইট না হওয়ায় ভারতের এসব কোম্পানি ইউটিউব চ্যানেল খোলার সুযোগ পেয়েছে। কপিরাইট আইন অনুযায়ী, অডিও হলে ২৫ বছর ও ভিডিও চিত্র হলে ৬০ বছর স্বত্তাধিকারী ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।

[৪] জানা গেছে, অবৈধবাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এসব কোম্পানি ভাষণটি ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছে গান ক্যাটাগরিতে। শিরোনাম দিয়েছে শোনো একটি মুজিবুরের থেকে। এমনকি বঙ্গবন্ধুর ভাষণটির লাইলেন্সও নিজেদের বলে দাবি করেছে। এটি চলতি বছরের মার্চে কপিরাইট অফিসের নজরে আসলে পাল্টা একটি ইউটিউব চ্যানেল খুললেও ইউটিউব কর্তৃপক্ষ ও এসব কোম্পানি থেকে অভিযোগ দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে কপিরাইট অফিস সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে ভাষণটি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য একটি চিঠি দেয়। এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের সদস্য সচিব ও কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খানের কাছেও একটি চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ভাষনটি রেজিস্ট্রেশনের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে আবারও চলতি সপ্তাহে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেবে কপি রাইট অফিস।

[৫] কপিরাইট অফিসের রেজিস্টার জাফর রাজা চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণটি অবৈধভাবে ইউটিউব চ্যানেল করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তা আমাদের নজরে এসেছে। কিন্তু রেজিস্ট্রশন না থাকার কারণে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয়া যাচ্ছে না। তবে ভাষণটি যাতে খুব শিগগিরই কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন করা হয়, সে বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। সম্পাদনা: ইকবাল খান

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত